1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
অর্থ আত্মসাৎ ঠেকাতে শক্তিশালী ব্যাক অফিস সফটওয়্যার প্রয়োজন: বিএসইসির চেয়ারম্যান - Business Protidin
শিরোনাম :
অর্থ আত্মসাৎ ঠেকাতে শক্তিশালী ব্যাক অফিস সফটওয়্যার প্রয়োজন: বিএসইসির চেয়ারম্যান লাইসেন্স নেই ২২ অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের, লেনদেন না করার পরামর্শ বাংলা কিউআরে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে মিলবে প্রণোদনা পদত্যাগ করলেন আইডিআরএ সদস্য আবু বকর সিদ্দিক জেনিথ লাইফের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা বরিশালে পপুলার লাইফের ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বিমা দাবির চেক হস্তান্তর ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদন পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান পাঁচ রাষ্ট্রীয় বীমা কোম্পানিকে ৭০ বিলিয়ন ইউয়ান দিচ্ছে চীন চার বছরে এনবিএফআইর খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫৪১৬ কোটি টাকা শুক্র ও শনিবার যেসব ব্যাংক খোলা

অর্থ আত্মসাৎ ঠেকাতে শক্তিশালী ব্যাক অফিস সফটওয়্যার প্রয়োজন: বিএসইসির চেয়ারম্যান

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সব ব্রোকারেজ হাউজের জন্য একটি ইউনিফাইড ও অত্যন্ত সুরক্ষিত ব্যাক অফিস সফটওয়্যার চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে ‘ইনগরেশন সিরিমনি ফর ডিস্ট্রিবিউশন অব আইপিএফ ফান্ডস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান।

মাসুদ খান বলেছেন, ডিজিটাল যুগে ব্রোকারেজ হাউজের ব্যাংক হিসাব ও সিসিএ (কাস্টমার ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট) হিসাবে থাকা অর্থের রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন অর্থের পুনর্মিলন (রিকনসিলিয়েশন) করা সম্ভব হবে এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থের ঘাটতি বা অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।।

অনুষ্ঠানে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ব্রোকারেজ হাউসের অনিয়মে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের দ্রুত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগে সার্বিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান। এ জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

ডিএসই চেয়ারম্যান জানান, পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসের অনিয়মে মোট ১৭ হাজার ৯৬৭ জন বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৭ হাজার ৩৩২ জনকে আইপিএফ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। যাঁদের সম্পূর্ণ অর্থ এই পর্যায়ে ফেরত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাঁদের অবশিষ্ট অর্থও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মমিনুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে লাভ-ক্ষতি স্বাভাবিক। শেয়ারের দাম কমা-বাড়া বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। কিন্তু কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাজারের ওপর তাঁদের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়।

তিনি বলেন, অতীতে পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউস বিনিয়োগকারীদের অর্থ বা শেয়ার নিজেদের হিসাবে স্থানান্তর করেছে। পরবর্তী সময়ে তারা সেসব অর্থ বা শেয়ার ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, অনেক আশা নিয়ে বিনিয়োগ করা কষ্টার্জিত অর্থ হারিয়ে তাঁদের আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এ জন্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএসইসি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে।

অনুষ্ঠানে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ারসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের অর্থনীতির স্বার্থে শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শেয়ারবাজার গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মমিনুল ইসলাম।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com