1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
কোম্পানির ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজের সুদে উৎস কর বেড়ে ১৫ শতাংশ - Business Protidin
শিরোনাম :
আইডিআরএ’র নতুন দুই সদস্য সফিকুল ইসলাম ও কামরুল আহসান তৃতীয় প্রান্তিকে চার্টার্ড লাইফের উদ্বৃত্ত বেড়েছে পাঁচ গুণ, লাইফ ফান্ড বৃদ্ধি ১৫ কোটি টাকা জেনিথ ইসলামী লাইফের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বীমাদাবির টাকা সমন্বয় করে নতুন পলিসি ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞা শেয়ারবাজারে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, বিনিয়োগে নজর সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা: ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি, বাড়াতে হবে বেসরকারি বিনিয়োগ ময়মনসিংহে পপুলার লাইফের ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ বিশ্ব অর্থনীতির নতুন চাপে বাংলাদেশ, সামনে ঋণ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী

কোম্পানির ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজের সুদে উৎস কর বেড়ে ১৫ শতাংশ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোম্পানি করদাতার ক্ষেত্রে সরকারি সিকিউরিটিজ এবং সরকার বা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদিত সিকিউরিটিজের সুদ থেকে আয়ের ওপর উৎসে কর বাড়িয়েছে সরকার। এছাড়া মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ -এ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর ফলে এনবিআর থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত করার যে আলোচনা ছিল, তা থেকে সরে এলো সরকার।

গতকাল সোমবার (৬ অক্টোবর) অর্থ আইনের কিছু সংশোধন করা এক অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোম্পানি করদাতার ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজের সুদের ওপর উৎসে করের হার হবে ১৫ শতাংশ, যা এতদিন ১০ শতাংশ ছিল। তবে কোম্পানি ছাড়া বাকি করদাতাদের ক্ষেত্রে করের হার আগের মতোই ১০ শতাংশ থাকবে। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের শুরুতে সব ক্ষেত্রেই উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল। এবার কোম্পানি করদাতার ক্ষেত্রে এ হার আরেক দফা বাড়লো।

সংশোধিত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরযান থেকে সংগ্রহ করা অগ্রিম কর চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হবে, যা কেবল বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরযান থেকে আয়ের বিপরীতে প্রযোজ্য হবে। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি বা অবাণিজ্যিক ব্যবহারের যানবাহনের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। যদিও এই অগ্রিম করের ওপর ভিত্তি করে করদাতার মোটরযান থেকে অর্জিত আয় হিসাব করতে হবে। করদাতা যদি বেশি আয় প্রদর্শন করেন, সেক্ষেত্রে যেটুকু বেশি প্রদর্শন করেছেন ওই অংশের ওপর নিয়মিতভাবে করারোপ করা হবে।

এছাড়া মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এ সংশোধনী আনা হয়েছে এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে। সেখানে বলা হয়, সরকার এখন থেকে গেজেট প্রজ্ঞাপন বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে যে কোনো পণ্য, পণ্য শ্রেণি বা সেবাকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), সম্পূরক শুল্ক বা অগ্রিম কর থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে।

এর আগে গত ৭ মে ‘কর ব্যয় নীতিমালা এবং এর ব্যবস্থাপনা কাঠামো’ প্রকাশ করে এনবিআর। যেখানে প্রস্তাব করা হয়, বিভিন্ন খাতে করছাড় বা অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আর থাকবে না। কর ছাড়ের ফয়সালা হবে জাতীয় সংসদে। তবে সংশোধিত অধ্যাদেশের ফলে এনবিআর থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত করার যে আলোচনা ছিল, তা থেকে সরে এলো সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com