1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতির গতি কমেছে বাংলাদেশে - Business Protidin
শিরোনাম :
ঈদ-পরবর্তী সাত দিন ঢাকায় আনা যাবে না পশুর চামড়া দশ মাসে ৩৮০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ পরিশোধ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ ৩০ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে বিএটির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান পদত্যাগ আতঙ্কে ইসলামি ব্যাংকের এমডিকে ব্যাংকে ঢুকতে বাঁধা গ্রাহকদের ব্যাংকের লভ্যাংশ নিয়ে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা উচ্চাভিলাষীর চেয়ে বাস্তবায়নযোগ্য ব্যবসাবান্ধব বাজেট চায় ব্যবসায়ীরা শিল্পপতি কে এম হাবীব জামানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে ন্যাশনাল লাইফের শ্রদ্ধা বাজেটে শেয়ারবাজারের ছয়টি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আসছে সংস্কার কর্মসূচি

যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতির গতি কমেছে বাংলাদেশে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

বাণিজ্য ডেস্ক: চলমান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে গতি কমেছে বাংলাদেশের অর্থনীতির। উৎপাদন খাত সংকোচন পাশাপাশি কৃষি ব্যবসা খাতের গতি বেশ কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। যারফলে গতি কমেছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

পিএমআইয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি প্রকাশ করা হয়। গত এক বছরে অর্থনীতির গতি এক মাসে বাড়লে পরের মাসে কমছে। সর্বশেষ গত মাসে পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্সের মান ২ দশমিক ২ পয়েন্ট কমে ৫৩ দশমিক ৫ পয়েন্ট হয়েছে।ফেব্রুয়ারিতে পিএমআই মান ছিল ৫৫ দশমিক ৭ পয়েন্ট। তার আগের মাসে অর্থাৎ জানুয়ারিতে পিএমআই মান ছিল ৫৩ দশমিক ৯ পয়েন্ট।

ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স (এমসিসিআই) ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশ যৌথভাবে পিএমআই প্রণয়ন করছে। গতকাল বুধবার (০৮ এপ্রিল) মার্চ মাসের পিএমআই প্রকাশ করা হয়।

জানা যায়, অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি ব্যবসা, নির্মাণ, উৎপাদন ও সেবা খাতের ৪০০টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের মতামতের ভিত্তিতে পিএমআই প্রকাশ করা হয়। সূচক তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাঁচামাল ক্রয়, পণ্যের ক্রয়াদেশ, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। মূলত পিএমআই শূন্য থেকে ১০০ নম্বরের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। সূচকের মান ৫০-এর বেশি হলে অর্থনীতির সম্প্রসারণ ও ৫০-এর নিচে হলে সংকোচন বোঝায়।

উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশের প্রধান অর্থনৈতিক খাতগুলোতে ব্যবসায়িক পরিবেশ মিশ্র অবস্থায় রয়েছে। পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর সামনে রেখে মৌসুমি চাহিদা কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে উচ্চ ব্যয় ও অনিশ্চয়তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। সেবা ও খুচরা খাতে উৎসবকালীন চাহিদার কারণে বিক্রি বাড়ার প্রত্যাশা থাকলেও, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল, শ্রম, পরিবহন ও ইউটিলিটি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে মুনাফার ওপর চাপের কথা উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

উদ্যোক্তারা আরও বলেছেন, উৎপাদন ও নির্মাণ খাতে ক্রয়াদেশ কমেছে। বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী ও ক্রয়াদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তাও ব্যবসায়িক আস্থাকে প্রভাবিত করছে।

জরিপে অংশ নেওয়া অধিকাংশ উদ্যোক্তা বলছেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে আগামী মাসগুলোতে ব্যবসায়িক পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘গত মাসের পিএমআই সূচকগুলো ইঙ্গিত করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হচ্ছে। যা প্রধানত উৎপাদন খাতের মন্দার কারণে হয়েছে। দীর্ঘ ছুটি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বৈশ্বিক চাহিদার অনিশ্চয়তা এই খাতে প্রভাব ফেলেছে। চলমান সংঘাতের ফলে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় অর্থনৈতিক গতিশীলতা আরও দুর্বল করেছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com