1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আর্থিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জরুরি - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রগ্রেসিভ লাইফে আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বিএসইসিতে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার ন্যাশনাল ব্যাংকের, গ্যারান্টার বাংলাদেশ ব্যাংক স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করল বিএসইসি কুমিল্লায় পপুলার লাইফের ৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর থাইল্যান্ডে বিদেশি ব্যবসার প্রসার, বাংলাদেশের সম্ভাবনায় বাধা কেন? বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আর্থিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জরুরি বিশ্বব্যাংকের এমডির সঙ্গে বৈঠক: ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: অর্থমন্ত্রী  জ্বালানি খাতের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জার থেকে কেনা যাবে ৩ হাজার ডলার

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আর্থিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জরুরি

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) থেকে: বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য টেকসই সরকারি অর্থব্যবস্থা, আর্থিক শৃঙ্খলা ও শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা জরুরি। এসব ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়লে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বিনিয়োগ প্রণোদনার কার্যকারিতাও বাড়ে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি গবেষণার উপস্থাপনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক অনুষ্ঠানে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

গবেষণা উপস্থাপনকারী ইসাবেলা বলেন, নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ও শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগের ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে। নীতিনির্ধারকদের উচিত টেকসই সরকারি অর্থব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া।

তিনি বলেন, গবেষণাটি সরাসরি আইএমএফের কর্মসূচির নকশা বা প্রভাব নিয়ে করা হয়নি। তবে এর ফলাফল আইএমএফের দেশভিত্তিক দলগুলোকে সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তা করতে পারে। এসব কর্মসূচিতে আর্থিক শৃঙ্খলা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

ইসাবেলা আরও বলেন, আইএমএফের সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম, নীতিগত পরামর্শ এবং আর্টিকেল ফোর পরামর্শের সঙ্গেও গবেষণাটির ফলাফলের যোগসূত্র রয়েছে। বিভিন্ন দেশের সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করে গবেষণায় গড় প্রবণতা তুলে ধরা হয়েছে। তবে কোনো দেশের নির্দিষ্ট সমস্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নে দেশভিত্তিক বিশ্লেষণ ও পরামর্শ প্রয়োজন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে সোমালিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা কামাল গুতালিয়া জানতে চান, সংঘাত ও অস্থিতিশীলতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর (এফসিভি) ক্ষেত্রে গবেষণাটি আলাদাভাবে করা হয়েছে কি না। তাঁর মতে, সোমালিয়ার মতো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে শুধু আর্থিক শৃঙ্খলা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করাই যথেষ্ট নয়; শান্তি, নিরাপত্তা ও অন্যান্য কাঠামোগত বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

জবাবে ইসাবেলা বলেন, গবেষণায় সংঘাত ও অস্থিতিশীলতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়নি। তবে বিষয়টি ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। গবেষণায় ঋণমুক্তি-সংশ্লিষ্ট হিপিক (এইচআইপিসি) উদ্যোগের আওতায় আসা দেশগুলোর ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিদেশি বিনিয়োগের সম্পর্কও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এসব দেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও জোরালো।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইসাবেলা বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে নীতিগত বিশ্বাসযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর নীতিনির্ধারকদের টেকসই সরকারি অর্থব্যবস্থা এবং শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় বিনিয়োগ করা উচিত। এতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ প্রণোদনাও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com