1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রগ্রেসিভ লাইফে আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বিএসইসিতে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার ন্যাশনাল ব্যাংকের, গ্যারান্টার বাংলাদেশ ব্যাংক স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করল বিএসইসি কুমিল্লায় পপুলার লাইফের ৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর থাইল্যান্ডে বিদেশি ব্যবসার প্রসার, বাংলাদেশের সম্ভাবনায় বাধা কেন? বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আর্থিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জরুরি বিশ্বব্যাংকের এমডির সঙ্গে বৈঠক: ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: অর্থমন্ত্রী  জ্বালানি খাতের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চায় বাংলাদেশ ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জার থেকে কেনা যাবে ৩ হাজার ডলার

চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যাংকক (থাইল্যান্ড) থেকে: চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঋণনির্ভর অর্থায়ন থেকে বেরিয়ে যৌথ বিনিয়োগ ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে অর্থায়নের ধরন পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছে সরকার।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে চীনের এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঋণভিত্তিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে মালিকানাভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে অংশীদারত্বের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ঋণ থেকে সরে এসে ক্রমান্বয়ে বিনিয়োগের দিকে বেশি যাচ্ছি। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করি, এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে।’

সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু ঋণ নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে এমন অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে বিনিয়োগকারী ও বাংলাদেশ যৌথভাবে প্রকল্পের অংশীদার হবে।

এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগ ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে, অর্থায়নে অংশীদারত্বের অনুপাত কী হবে কিংবা নতুন কাঠামো কবে কার্যকর হবে—এসব বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট ঘোষণা আসেনি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অনুদানভিত্তিক আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে। দেশটি থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি ও বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিষয় তুলে ধরে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অনুদানের প্রয়োজনীয়তা জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের আমদানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রত্যাশা করছে সরকার। এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে সম্ভাব্য সহায়তার পরিমাণ ও ধরন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষি খাতে সম্ভাব্য সহায়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রেও অর্থায়নের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com