1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ই-বাইক উৎপাদনে মিলবে কর ছাড়, মানতে হবে ১০ শর্ত - Business Protidin
শিরোনাম :
বীমাদাবির টাকা সমন্বয় করে নতুন পলিসি ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞা শেয়ারবাজারে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, বিনিয়োগে নজর সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা: ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি, বাড়াতে হবে বেসরকারি বিনিয়োগ ময়মনসিংহে পপুলার লাইফের ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ বিশ্ব অর্থনীতির নতুন চাপে বাংলাদেশ, সামনে ঋণ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী প্রগ্রেসিভ লাইফে আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বিএসইসিতে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার ন্যাশনাল ব্যাংকের, গ্যারান্টার বাংলাদেশ ব্যাংক

ই-বাইক উৎপাদনে মিলবে কর ছাড়, মানতে হবে ১০ শর্ত

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাইক (ই-বাইক) সবার নাগালে আনতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয়ভাবে উৎপাদনে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে জানান, ই-বাইক উৎপাদনে ৫ শতাংশের বেশি সব ধরনের কর মওকুফ করা হবে। এছাড়া ই-বাইক তৈরির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানি বা দেশীয়ভাবে সংগ্রহের ক্ষেত্রেও ভ্যাট, আগাম কর (এটি) ও সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, এসব কর সুবিধা পেতে বিনিয়োগকারীদের মানতে হবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত। আর শর্ত মেনে ই-বাইক উৎপাদনে এগিয়ে এলে এ শিল্পে বিপ্লব হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. নিবন্ধন : বিডা, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।

২. বিআরটিএ অনুমোদন : ই-বাইক (টু-হুইলার) উৎপাদনের জন্য বিআরটিএ থেকে মেকারস কোড ও টাইপ অনুমোদন নিতে হবে।

৩. চেসিস উৎপাদনের সক্ষমতা : কারখানায় চেসিস তৈরির জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৪. প্লাস্টিক যন্ত্রপাতি : ই-বাইকের প্লাস্টিক অংশ তৈরির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কারখানায় স্থাপন করতে হবে।

৫. রংকরণ সুবিধা : নিজস্ব পেইন্ট শপ থাকতে হবে এবং রং করার কাজ কারখানাতেই সম্পন্ন করতে হবে।

৬. ইলেকট্রিক মোটর : ইলেকট্রিক মোটরের যন্ত্রাংশ নিজস্বভাবে উৎপাদন করতে হবে।

৭. ব্যাটারি : নিজস্বভাবে ব্যাটারি তৈরি করতে হবে বা স্থানীয় উৎপাদনকারীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।

৮. পরিবেশ ছাড়পত্র : পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ আইএসও সনদ থাকতে হবে।

৯. মানবসম্পদ : কারখানায় কমপক্ষে ২৫০ জন কর্মী থাকতে হবে।

১০. বিক্রয়োত্তর সেবা : বিক্রয়কেন্দ্র, যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও সেবা কেন্দ্রসহ বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com