নিজস্ব প্রতিবেদক: এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণ বাড়ছে দ্রুত। গত জুন পর্যন্ত এক বছরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়ে ৪১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আমানত বেড়েছে ১৪ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৩১টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে। এসব ব্যাংকের ১৫ হাজার ৪২৪ এজেন্টের অধীনে আউটলেট রয়েছে ২০ হাজার ৫৯৭টি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক হিসাবের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ। এর মধ্যে ৮৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ হিসাব গ্রামীণ এলাকার।
ঋণ বিতরণে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। জুন শেষে ব্যাংকটির এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা, যা মোট এজেন্ট ব্যাংকিং ঋণের ৭৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এরপর রয়েছে সিটি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।
অন্যদিকে, আমানত সংগ্রহে শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। জুন শেষে ব্যাংকটির মাধ্যমে সংগৃহীত আমানত ২০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা, যা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মোট আমানতের ৩৮ দশমিক ৮০ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি, কুটির ও ক্ষুদ্রঋণ সরাসরি প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার বাড়ায় ঋণ বিতরণ দ্রুত বাড়ছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন তারা।
Leave a Reply