1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ব্যাংক খাতে তারল্য ছাড়া সব আর্থিক সূচকে অবনতি - Business Protidin
শিরোনাম :
পলিসি তামাদি হওয়ার কারণ ও উত্তরণের উপায় কি? নির্বাচনের আগে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি: পোশাকে শূন্য শুল্ক সুবিধা, বড় অঙ্কের আমদানি প্রতিশ্রুতি ব্যাংক খাতে তারল্য ছাড়া সব আর্থিক সূচকে অবনতি পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত বিবেচনায়, পাচার হওয়া অর্থ চিহ্নিত: অর্থ উপদেষ্টা চার দিন বন্ধ হচ্ছে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কঠোরতা, ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলার ভিড় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছি: গভর্নর নির্বাচনের পূর্বে বিকাশ-নগদ-রকেটে এক হাজারের বেশি লেনদেন করা যাবে না বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার পুঁজিবাজারের জন্য আশাব্যঞ্জক উদ্যোগ: ডিবিএ

ব্যাংক খাতে তারল্য ছাড়া সব আর্থিক সূচকে অবনতি

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে আওয়ামী লীগ সরকার আমলের লুটপাটের ক্ষত ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। তারল্য ছাড়া বাকি সব আর্থিক সূচকে অবনতি ঘটেছে। ফলে ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোর সক্ষমতাও কমে গেছে। গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় সেপ্টেম্বরে ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি বেড়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণের হার কমেছে, কমছে সম্পদের মানও।

এছাড়া বেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ এবং খেলাপি ঋণ বাড়ায় আয়যোগ্য সম্পদ কমেছে। ফলে ব্যাংকগুলোর আয় আরও হ্রাস পেয়েছে। এতে করে গত বছরের মার্চ থেকে বেশির ভাগ ব্যাংকে লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে।

গতকাল সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ত্রৈমাসিক আর্থিক স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানির সার্বিক চিত্র ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংক খাতের কর্মক্ষমতা ছিল মিশ্র প্রবণতার। ব্যাংকের ঋণপ্রবাহ বাড়ার কারণে মোট সম্পদ ১ দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের তুলনায় খুবই সামান্য। ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে সম্পদের মান আরও দুর্বল হয়েছে। তবে ভালো ব্যাংকগুলোর প্রভিশন সংরক্ষণের হার বাড়ার কারণে সার্বিকভাবে প্রভিশন রাখার হার কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু ঘাটতি কমেনি। গত জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা, যা ব্যাংক খাতের ঝুঁকির মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রভিশন রক্ষণাবেক্ষণ অনুপাত : ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলো লাভজনক অবস্থায় ছিল। চলতি বছরে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও সুদ থেকে আয় কমে যাওয়ায় গত মার্চ থেকে ব্যাংকগুলো লোকসানের মুখে পড়ে। মার্চে মূলধন থেকে লোকসান ছিল শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ সময় সম্পদ থেকে লোকসান ছিল ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরে তা আরও বেড়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশে পৌঁছায়। তবে গত জুনের তুলনায় ব্যাংকগুলোর লোকসানের হার সামান্য কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব পদ্ধতি অনুসরণ করে তৈরি করা ঝুঁকি মোকাবিলার নিরীক্ষায় দেখা গেছে, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাত সম্ভাব্য ধাক্কা মোকাবিলার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। ওই সময়ে ব্যাংকের আর্থিক সূচকে বেশ অবনতি হয়। ব্যাংক খাতে শীর্ষ দুটি ঋণ গ্রহীতা নতুন করে খেলাপি হলে মূলধন পর্যাপ্ততার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি তৈরি করবে। এর প্রভাবে খেলাপি ঋণের হার আরও বাড়বে এবং আরও কমে যাবে জামানতের মান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংক খাতে ঝুঁকি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ব্যবসায়ীদের ঋণ পুনর্গঠনের জন্য দুর্দশাগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের নীতি সহায়তা দিয়ে খেলাপি ঋণ কমানো হচ্ছে। আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা আরও জোরদার করার জন্য রপ্তানি আয় ধরে রাখা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য অর্থায়ন ব্যবস্থা চালু রেখে ব্যবসার গতি বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com