1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ঈদে বেতন-বোনাস দিতে ঋণ সহায়তা চান পোশাক শিল্প মালিকরা - Business Protidin
শিরোনাম :
ঈদে বেতন-বোনাস দিতে ঋণ সহায়তা চান পোশাক শিল্প মালিকরা ট্রাম্পের নতুন ১৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা হলেও কার্যকর ১০ শতাংশ নগদে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে গভর্নরের সঙ্গে ব্যারিস্টার আরমানের বৈঠক শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ২৭০ কোটি টাকা গভর্নরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শোকজ অনলাইনে ৩৯ লাখ করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিল যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আদায় বন্ধ হচ্ছে মঙ্গলবার বিনিয়োগ চাহিদা না বাড়ায় ঋণ প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী, সুদ কমছে গ্রাহক পর্যায় সরকারের কাছে চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৪ দাবি ঢাকা চেম্বারের বীমা কোম্পানির নিবন্ধন ফি বাড়িয়ে অতিরিক্ত আদায়ের নির্দেশ আইডিআরএ’র

ঈদে বেতন-বোনাস দিতে ঋণ সহায়তা চান পোশাক শিল্প মালিকরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক মন্দা ও রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক খাতে সৃষ্ট আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিশেষ ঋণ সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ও মার্চ মাসের অগ্রিম মজুরি পরিশোধের জন্য এই সুবিধা চাওয়া হয়।

চিঠিতে অন্তত ৪০০ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সহজ শর্তে ঋণের দাবি জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খানের সই করা চিঠিতে বলা হয়, ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক মন্দা এবং শুল্ক যুদ্ধের কারণে রপ্তানি আয় কমে যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ, কার্যাদেশ কমেছে এবং প্রায় ৪০০ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার পরিমাণও কমানো হয়েছে। তৈরি পোশাকের ইউনিট মূল্য কমেছে এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৬ সময়ে ৬০ দিনের মধ্যে ২৫ দিন কারখানা বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া, ডেফার্ড শিপমেন্ট এবং অর্ডার পিছিয়ে যাওয়ার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিকরা শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছে। এসব কারণে তৈরি পোশাক শিল্পে আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এমন অবস্থায় ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা চায় সংগঠনটি।

চিঠিতে ইনামুল হক খান উল্লেখ করেছেন, ‘ঈদের পূর্বে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে এই কাজটি করা সম্ভব হচ্ছে না।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ২.৪৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং রপ্তানি কার্যক্রমের মন্থরতায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলির উৎপাদন সক্ষমতা ক্রমেই কমে আসছে।

এর মধ্যে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার পরিমাণ ১২.৯০ শতাংশ কমেছে, যা আরও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ৪০০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে বিপদে পড়েছে। এর কারণ, রপ্তানির ধীরগতি, ডেফার্ড শিপমেন্ট এবং অর্ডার পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে। বিশেষত, কারখানাগুলি শ্রমিকদের বেতন, ইউটিলিটি বিল, পরিবহন খরচ এবং ব্যাংক সুদের পরিশোধে চরম চাপের মধ্যে পড়েছে।

বিজিএমইএর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আগামী ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস এবং মার্চ মাসের অগ্রিম মজুরি পরিশোধের জন্য বিশেষ সুবিধায় ঋণ চান তারা। তাদের দাবি, ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১২ মাসে পরিশোধযোগ্য ঋণ সুবিধা প্রদান করা হোক, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থনৈতিক চাপের মাঝে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে পারে এবং উৎপাদন কার্যক্রম চালু থাকে।

চিঠিতে বিজিএমইএ আরও উল্লেখ করেছে, গত এক বছরে রপ্তানি আয় কমে যাওয়ার কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোশাক কারখানাগুলি ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই অবস্থা উত্তরণে সরকারের সহযোগিতা ছাড়া এই শিল্পকে সচল রাখা সম্ভব নয়। বিজিএমইএর দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংক সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা দিলে পোশাক শিল্পের সংকট দূর করা সম্ভব হবে এবং ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করা যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com