1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে দ্রুত আমদানির অনুমতি চায় ব্যবসায়ীরা - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রথম দিনেই টাকা তোলার আবেদনের হিড়িক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা ৪৬ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে ডেসকো পরিচালক পদে বিএসইসির ১৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি বিদেশ ভ্রমণের আগে বীমা করেন সিঙ্গাপুরের ৮৬% মানুষ আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ, খসড়া বিধিমালা অনুমোদন জেনিথ লাইফের বীমা সেবার আওতায় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহরা মূল টাকা মিললেও মুনাফা পাবেন না ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তা, বাড়ল ঋণ পরিশোধের সময় তিন ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ২০২৮ থেকে নতুন ভাতা

জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে দ্রুত আমদানির অনুমতি চায় ব্যবসায়ীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১৪ মার্চ) সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সরকারকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও মন্ত্রণালয়ের ‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে জনগণের কাছে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এতে বলা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কিছু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা ছাড়াই গত ১০-১২ দিন ধরে সারাদেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনে ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হয়েছে, যা ‘প্রতারণামূলক কাজ’।

মালিক সমিতির দাবি, সব ডিপোতে তেল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই এবং তেলবাহী জাহাজগুলো জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ মিলছে না। ফলে তেল আসার দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই পাম্পগুলো শূন্য হয়ে পড়ছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে ডিলাররা সংকটে রয়েছেন। ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি ট্যাঙ্কলরি ২০০-২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে এসে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে, কিন্তু সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে তেল বিক্রি করায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের কোনো সুযোগ থাকছে না।

মালিক সমিতির মতে, গত ১০-১২ দিনের এই ঘাটতি আগামী এক মাসেও পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত তেল সরবরাহ করা জরুরি।

বিবৃতিতে প্রস্তাব করা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ হয়, তবে যে সকল ব্যবসায়ীর সক্ষমতা আছে তাদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে তেল সরবরাহ করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com