1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
নির্বাচনের আগে-পরের সময়ে কমেছে ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ঋণ - Business Protidin
শিরোনাম :
নির্বাচনের আগে-পরের সময়ে কমেছে ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ঋণ ইসলামী ব্যাংকের সংকট দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন: এবিবি চেয়ারম্যান বাজেটে আবাসন খাতের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও রিহ্যাবের প্রত্যাশা বাজেট ঘাটতি পুরণে ব্যাংক ঋণেই ভরসা সরকারের পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক মুনাফা কমেছে গ্রামীণফোনের, বেড়েছে রবির! টাকা উত্তোলনের চাপ সামলাতে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক তরুণ উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে পাবে ১০ লাখ টাকার ঋণ সুবিধা সাত দিনে চার হাজার কোটি টাকার আমানত হারালো ইসলামী ব্যাংক যুক্তরাজ্যে ২৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ, শিগগির দেশে আনা হবে: গভর্নর

নির্বাচনের আগে-পরের সময়ে কমেছে ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ঋণ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সুদমুক্ত ক্ষুদ্র অর্থায়ন কর্মসূচি রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম (আরডিএস)-এ গত সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে ঋণ বিতরণ ও গ্রাহক— উভয় সূচকেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত এ খাতে ঋণ স্থিতি কমেছে ১২৯ কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা কমেছে এক হাজার ৬৩০ জন।

বুধবার (১০ জুন) ইসলামী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস কর্মসূচি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। মন্ত্রী দাবি করেন, নির্বাচনের আগে ও পরে ব্যাংকটির আরডিএস প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা ভোটারদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে প্রশ্ন তোলেন।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৫ সালে আরডিএস কর্মসূচি চালুর পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় প্রতি বছরই ঋণ স্থিতি ও গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে। তবে ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই এ ধারায় পরিবর্তন আসে। জানুয়ারি থেকে আরডিএসের ঋণ স্থিতি ও গ্রাহক সংখ্যা কমতে শুরু করে, যা নির্বাচনের পরও অব্যাহত রয়েছে।

ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে আরডিএস খাতে বিনিয়োগ স্থিতি ছিল ৬ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা। এ সুবিধা নিয়েছিলেন ৮ লাখ ৫৫ হাজার ২২২ জন গ্রাহক। কিন্তু চলতি বছরের মে মাস শেষে বিনিয়োগ স্থিতি নেমে আসে ৬ হাজার ৬৬০ কোটি টাকায় এবং গ্রাহক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫৯২ জনে।

অর্থাৎ পাঁচ মাসে প্রথমবারের মতো এ খাতে ঋণ স্থিতি ১২৯ কোটি টাকা কমেছে। একই সময়ে গ্রাহক সংখ্যা কমেছে এক হাজার ৬৩০ জন। তবে আরডিএস ঋণের আদায়ের হার এখনো উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাস শেষে আদায়ের হার ছিল ৯৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

তথ্য পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, ২০২৩ সালের পর থেকেই আরডিএস খাতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ২০২২ সালে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ২২ শতাংশ। ২০২৩ সালে কমে তা ১৬ শতাংশে, ২০২৪ সালে ৪ শতাংশে এবং ২০২৫ সালে মাত্র ১ শতাংশে নেমে আসে। এছাড়া ২০২৬ সালের শুরু থেকে প্রথমবারের মতো ঋণ স্থিতি ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিতে চলে যায়। মে মাস শেষে এ খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় প্রায় ঋণাত্মক ২ শতাংশ।

নির্বাচনের আগে ও পরবর্তী সময়ের ঋণ বিতরণের হিসাবেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। গত নভেম্বরে আরডিএসের আওতায় বিতরণ করা হয় ৬৫৪ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে ৬৭০ কোটি টাকা, জানুয়ারিতে ৫৩০ কোটি টাকা এবং ফেব্রুয়ারিতে ৫০৮ কোটি টাকা। চার মাসে মোট বিতরণ হয় ২ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা।

তবে একই সময়ে নতুন বিনিয়োগের তুলনায় ঋণ আদায় বেশি হওয়ায় মোট ঋণ স্থিতি ১২৯ কোটি টাকা কমে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com