নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আলাদা ব্যাংক গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যাংকের নাম হতে পারে ‘সরকারি কর্মচারী ব্যাংক’।
জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের দেশের ‘বেতনভোগী একটি টেকসই শ্রেণি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই করছে।
কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, আলোচনা চলছে; প্রতিবেদনে সুপারিশ থাকতে পারে, না-ও থাকতে পারে।
অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমেদ বলেন, দুনিয়ার কোথাও এমন ব্যাংক নেই। নতুন ব্যাংকের পরিবর্তে বিদ্যমান ব্যাংকের কার্যক্রম উন্নত করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা জানান, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার-ভিডিপির মতো আলাদা ব্যাংক রয়েছে। সরকারি কর্মচারীরাও ২০ লাখের বেশি; পৃথক ব্যাংক থাকলে বেতন-ভাতা হস্তান্তর ও স্বল্প সুদে ঋণের সুবিধা সহজ হবে।
দেশে বর্তমানে ৬১টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। অতীতে রাজনৈতিক লাইসেন্সে গঠিত ব্যাংকগুলোতে দুর্নীতি ও ক্ষতি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্বের কোথাও সরকারি কর্মচারীদের জন্য আলাদা ব্যাংকের নজির নেই।
Leave a Reply