1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে নতুন সোয়াপ সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক - Business Protidin
শিরোনাম :
নতুন ঋণ পেতে রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে জোর আইএমএফের ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তা-পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পিপলস লিজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদে আসতে চায় উদ্যোক্তারা কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন এমডি আবেদুর রহমান সিকদারের যোগদান শেখ হাসিনা পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ পুরনো মালিকানায় ফিরছে আল-আরাফাজ ব্যাংক ব্যাংক থেকে মাসে ৩ বারের বেশি টাকা তুললে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার সুপারিশ ডিএসইতে সুশাসন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আবেদন তিন মাসে ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত কমেছে ২০১২ কোটি টাকা

নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে নতুন সোয়াপ সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: রপ্তানিকারকদের নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা সোয়াপ সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানিকারকরা তাদের রপ্তানি আয়ের বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার, ইউরো ইত্যাদি) ভাঙানো ছাড়াই তার বিপরীতে টাকার সুবিধা নিতে পারবেন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে রপ্তানিকারকদের এই সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সোয়াপ হলো এমন এক ধরনের চুক্তি, যেখানে রপ্তানিকারক সাময়িকভাবে তার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংককে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে একই পরিমাণ মুদ্রা ফেরত নেয়। এ সময়ের মধ্যে রপ্তানিকারক টাকার সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ রপ্তানিকারক একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রাখবেন, অন্যদিকে ব্যবসার প্রয়োজনে টাকারও ব্যবহার করতে পারবেন।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সোয়াপ সুবিধার মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩০ দিন। রপ্তানিকারকের পুল অ্যাকাউন্ট বা রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক এই সুবিধা দিতে পারবে। নির্ধারিত মেয়াদ শেষে লেনদেন নিষ্পত্তি করতে হবে।

দুই মুদ্রার (টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা) সুদ বা লাভের হারের পার্থক্যের ভিত্তিতে সোয়াপের হার বা ‘সোয়াপ পয়েন্ট’ নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এটি কোনো ঋণ বা অর্থায়ন নয়; বরং একটি সাময়িক বিনিময় চুক্তি। ব্যাংকগুলোকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, তারল্য নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সোয়াপ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রপ্তানিকারকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে তারা চুক্তির শর্ত, বিনিময় হার ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। সোয়াপ থেকে পাওয়া টাকা শুধুমাত্র রপ্তানি ব্যবসার কার্যক্রমে। যেমন উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামাল কেনা বা পরিবহন খরচে, ব্যবহার করা যাবে। কোনোভাবেই জল্পনামূলক (স্পেকুলেটিভ) লেনদেনে এই অর্থ ব্যবহৃত হবে না।

সব ধরনের সোয়াপ লেনদেন সঠিকভাবে নথিভুক্ত করে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com