1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে নতুন সোয়াপ সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে নতুন সোয়াপ সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: রপ্তানিকারকদের নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ও টাকা সোয়াপ সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে রপ্তানিকারকরা তাদের রপ্তানি আয়ের বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার, ইউরো ইত্যাদি) ভাঙানো ছাড়াই তার বিপরীতে টাকার সুবিধা নিতে পারবেন।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে রপ্তানিকারকদের এই সুবিধা দিতে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সোয়াপ হলো এমন এক ধরনের চুক্তি, যেখানে রপ্তানিকারক সাময়িকভাবে তার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংককে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে একই পরিমাণ মুদ্রা ফেরত নেয়। এ সময়ের মধ্যে রপ্তানিকারক টাকার সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ রপ্তানিকারক একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা ধরে রাখবেন, অন্যদিকে ব্যবসার প্রয়োজনে টাকারও ব্যবহার করতে পারবেন।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, সোয়াপ সুবিধার মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩০ দিন। রপ্তানিকারকের পুল অ্যাকাউন্ট বা রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক এই সুবিধা দিতে পারবে। নির্ধারিত মেয়াদ শেষে লেনদেন নিষ্পত্তি করতে হবে।

দুই মুদ্রার (টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রা) সুদ বা লাভের হারের পার্থক্যের ভিত্তিতে সোয়াপের হার বা ‘সোয়াপ পয়েন্ট’ নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এটি কোনো ঋণ বা অর্থায়ন নয়; বরং একটি সাময়িক বিনিময় চুক্তি। ব্যাংকগুলোকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, তারল্য নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সোয়াপ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রপ্তানিকারকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে তারা চুক্তির শর্ত, বিনিময় হার ও সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। সোয়াপ থেকে পাওয়া টাকা শুধুমাত্র রপ্তানি ব্যবসার কার্যক্রমে। যেমন উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামাল কেনা বা পরিবহন খরচে, ব্যবহার করা যাবে। কোনোভাবেই জল্পনামূলক (স্পেকুলেটিভ) লেনদেনে এই অর্থ ব্যবহৃত হবে না।

সব ধরনের সোয়াপ লেনদেন সঠিকভাবে নথিভুক্ত করে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com