1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
আয়ের তথ্যে বড় গরমিল মেঘনা পেট্রোলিয়ামের - Business Protidin
শিরোনাম :
বিশ্বজিৎ মন্ডলের ক্ষমা প্রার্থনা: চার শর্তে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অপরিবর্তিত রেখে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ যুদ্ধের খবরে বিধ্বস্ত দেশের শেয়ারবাজার, সূচকে বড় পতন বাজার মধ্যস্থতাকারীরা ধুঁকলেও ফুলে-ফেঁপে উঠছে বিএসইসির আয় পটপরিবর্তনের পর বন্ধ কারখানা চালু করতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে রিজার্ভ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সমস্যার জন্য পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান শ্রম আইনের অনিয়ম থেকে বেরোতে পারেনি ক্রাফটসম্যান একীভূত ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার অপপ্রচার-ষড়যন্ত্রের অংশ: গভর্নর

আয়ের তথ্যে বড় গরমিল মেঘনা পেট্রোলিয়ামের

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আর্থিক প্রতিবেদনে আয়ের তথ্যে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেছে। কোম্পানিটির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রায় ১ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকার আয়ের অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করেছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান।

নিরীক্ষক মতামতে জানিয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মেঘনা পেট্রোলিয়াম আর্থিক প্রতিবেদনে আয় দেখিয়েছে ২৯ হাজার ৩৪৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। তবে ভ্যাট রিটার্ন অনুযায়ী কোম্পানিটির আয় ২৭ হাজার ৫০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ফলে আর্থিক প্রতিবেদন ও ভ্যাট রিটার্নে ঘোষিত আয়ের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৮ কোটি ১ লাখ টাকার গরমিল রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে নিরীক্ষক।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মেঘনা পেট্রোলিয়াম বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ১৬৯ কোটি ১ লাখ টাকা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ২১১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, পদ্মা ব্যাংকে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ১৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা রয়েছে।

নিরীক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ব্যাংক বর্তমানে তারল্য সংকটে রয়েছে। ফলে এসব বিনিয়োগের বিপরীতে কোম্পানিটি ৬১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা সুদ আয় হিসেবে দেখাতে পারেনি। এতে কোম্পানিটির বিনিয়োগ ও ঋণ ঝুঁকি বেড়েছে বলে মনে করছেন নিরীক্ষকরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে এফডিআর নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে চিঠি পাঠানো হলেও তারল্য সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com