1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
আয়ের তথ্যে বড় গরমিল মেঘনা পেট্রোলিয়ামের - Business Protidin
শিরোনাম :
আইডিআরএ’র নতুন দুই সদস্য সফিকুল ইসলাম ও কামরুল আহসান তৃতীয় প্রান্তিকে চার্টার্ড লাইফের উদ্বৃত্ত বেড়েছে পাঁচ গুণ, লাইফ ফান্ড বৃদ্ধি ১৫ কোটি টাকা জেনিথ ইসলামী লাইফের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বীমাদাবির টাকা সমন্বয় করে নতুন পলিসি ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞা শেয়ারবাজারে আসছে কনফিডেন্স পাওয়ার, বিনিয়োগে নজর সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার: আইএমএফ বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা: ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি, বাড়াতে হবে বেসরকারি বিনিয়োগ ময়মনসিংহে পপুলার লাইফের ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ বিশ্ব অর্থনীতির নতুন চাপে বাংলাদেশ, সামনে ঋণ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আইএমএফ: অর্থমন্ত্রী

আয়ের তথ্যে বড় গরমিল মেঘনা পেট্রোলিয়ামের

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আর্থিক প্রতিবেদনে আয়ের তথ্যে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেছে। কোম্পানিটির ২০২৪–২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রায় ১ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকার আয়ের অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করেছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান।

নিরীক্ষক মতামতে জানিয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মেঘনা পেট্রোলিয়াম আর্থিক প্রতিবেদনে আয় দেখিয়েছে ২৯ হাজার ৩৪৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। তবে ভ্যাট রিটার্ন অনুযায়ী কোম্পানিটির আয় ২৭ হাজার ৫০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ফলে আর্থিক প্রতিবেদন ও ভ্যাট রিটার্নে ঘোষিত আয়ের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৮ কোটি ১ লাখ টাকার গরমিল রয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে নিরীক্ষক।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মেঘনা পেট্রোলিয়াম বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ১৬৯ কোটি ১ লাখ টাকা, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ২১১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, পদ্মা ব্যাংকে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ১৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা রয়েছে।

নিরীক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ব্যাংক বর্তমানে তারল্য সংকটে রয়েছে। ফলে এসব বিনিয়োগের বিপরীতে কোম্পানিটি ৬১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা সুদ আয় হিসেবে দেখাতে পারেনি। এতে কোম্পানিটির বিনিয়োগ ও ঋণ ঝুঁকি বেড়েছে বলে মনে করছেন নিরীক্ষকরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে এফডিআর নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে চিঠি পাঠানো হলেও তারল্য সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com