1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
দেশের ৬২টি ব্যাংকের মধ্যে ৬৬ শতাংশই দুর্বল - Business Protidin

দেশের ৬২টি ব্যাংকের মধ্যে ৬৬ শতাংশই দুর্বল

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ব্যাংকগুলোতে লুটপাট এবং ব্যাপক জালিয়াতির পাশাপাশি কোনো কোনো ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৮০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এমন অবস্থায় কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া বাকিগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দেশের ৬২টি ব্যাংকের মধ্যে ৬৬ শতাংশই দুর্ব়ল। ফলে ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ অবস্থা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুসারে, বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ। ১২টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৭০ শতাংশের ওপরে উঠে গেছে। দেশে ৬২টি ব্যাংকের মধ্যে ৬৬ শতাংশই দুর্বল অবস্থায়।

ইতোমধ্যে ২৩টি ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া বাকিগুলোর অবস্থা খারাপ। ফলে ব্যাংক খাতে আমানতকারী কিংবা ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের আস্থা নেই।

এ ছাড়া দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের অবস্থাও অত্যন্ত ভয়াবহ। ২০টি প্রতিষ্ঠান রেড জোনে আছে। এর মধ্যে ৯টির অবস্থা খুবই খারাপ হওয়ায় অবসায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সেখান থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে। ৬টি প্রতিষ্ঠান অবসায়নের ঘোষণা আসতে পারে। আমানতের অর্থ ফিরে পেতে এ ছয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজারের বেশি আমানতকারী আন্দোলনে নেমেছেন।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-এফএএস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

দেশের বাজারে আরও কমল স্বর্ণের দাম
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আর্থিক খাতের সমস্যা সমাধানে গ্রাহকের আস্থা ফেরানো জরুরি। আর এই আস্থা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। নতুন করে আর যাতে বেনামি ঋণ তৈরি না হয়, সে জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. এমকে মুজেরী বলেন, আর্থিক খাতের সবই এখন আস্থার সংকটে। এসব খাতে মানুষ টাকা রাখতে ভয় পায়। এটি অর্থনীতির জন্য ভালো সংকেত নয়। চিহ্নিত কিছু গোষ্ঠী ব্যাংক থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারাই আবার ব্যাংকের মালিক। আবার ব্যাংক থেকে টাকা লুটের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থারও যোগসাজশ রয়েছে। এই আস্থার সংকট দূর করতে হলে দুটি করণীয় রয়েছে। প্রথমত, জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, তারা যেসব অর্থ লুট করেছে, তা আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তথ্যসূত্র: যুগান্তর

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com