1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
বেনামে বিমা পলিসি নিষিদ্ধ, ১০ লাখের বেশি লেনদেনে কঠোর ব্যবস্থা - Business Protidin
শিরোনাম :
‘ওলিস ২০২৬ অটাম’ সেমিনারে যোগ দিতে জাপান যাচ্ছেন এস এম নুরুজ্জামান বেনামে বিমা পলিসি নিষিদ্ধ, ১০ লাখের বেশি লেনদেনে কঠোর ব্যবস্থা সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগ বাতিল টানা ২৫ বছর ধরে বার্ষিক বাজেট ঘাটতির মুখে যুক্তরাষ্ট্র বন্ধের ঝুঁকিমুক্ত চার প্রতিষ্ঠান, সাতটিকে ঘাটতি পুরণের সুযোগ কমোডিটি ডেরিভেটিভস ব্রোকার হচ্ছে ছয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত ব্রোকার হাউজের বিনিয়োগকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ন্যাশনাল লাইফের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করতে চায় একটি চক্র ৬০ হাজার কোটি টাকার স্কিমে বিতরণ মাত্র সাড়ে ১৪ হাজার কোটি আইডিআরএ’র নতুন দুই সদস্য সফিকুল ইসলাম ও কামরুল আহসান

বেনামে বিমা পলিসি নিষিদ্ধ, ১০ লাখের বেশি লেনদেনে কঠোর ব্যবস্থা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানিলন্ডারিং এবং সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের বিমা খাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

সংস্থাটির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে বেনামে, ছদ্মনামে কিংবা কোনো কাল্পনিক নামে বিমা পলিসি খোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো গ্রাহক একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন করলে সেই তথ্য বিএফআইইউকে জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দেশের সব বিমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে বিএফআইইউ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিহ্নিত কোনো সন্ত্রাসী, গোষ্ঠী বা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যাতে বিমা ব্যবস্থার সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা এবং বিমা খাতকে অপব্যবহার থেকে মুক্ত রাখাই এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য।

বিএফআইইউ জানিয়েছে, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে যেকোনো জটিল, অস্বাভাবিক বা আর্থিক উদ্দেশ্যহীন বিমা পলিসির ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। কোনো গ্রাহক যদি একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন করেন, তবে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট (সিটিআর) বিএফআইইউ-তে দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি এ ধরনের লেনদেনের তথ্য ও নথি অন্তত ৫ বছর পর্যন্ত নিরাপদে সংরক্ষণ করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রাহকের সঠিক পরিচিতি নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন উৎস থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট, ছবি ও ঠিকানা যাচাই করতে হবে। যদি গ্রাহকের পক্ষে অন্য কেউ পলিসি পরিচালনা করেন, তবে তিনি যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কি না— তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে হবে।

বিদেশি বাণিজ্য সংক্রান্ত বিমার ক্ষেত্রে এলসি নম্বর, আমদানি-রপ্তানির চুক্তি, পণ্যের বিবরণ এবং শিপিং ডকুমেন্টস ব্যাংকের রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া, কোনো প্রতিষ্ঠান বিমা করলে, তার নিয়ন্ত্রণকারী বা ২০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারের মালিককে মূল সুবিধাভোগী বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।

সন্ত্রাস ও মানিলন্ডারিং মুক্ত বিমা খাত নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ‘কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠনের নির্দেশনা দিয়েছে বিএফআইইউ। এই ইউনিট নিয়মিতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন পর্যবেক্ষণ করবে এবং সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিএফআইইউতে রিপোর্ট পাঠাতে বলা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com