1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের কুটির শিল্প - Business Protidin
শিরোনাম :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রথম এমডি নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান শেয়ার ছেড়ে ১৬১ কোটি টাকা তুলবে প্রিমিয়ার সিমেন্ট শেয়ার হোল্ডারদের ৬ কোটি টাকা মুনাফা দেবে সেনা ইনস্যুরেন্স শেয়ার কারসাজিতে জড়িত ৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রতিবাদে আটকে গেলো ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ও ফারিস্তা রিটেইল এজির সমঝোতা চুক্তি বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদকে ন্যাশনাল লাইফের শুভেচ্ছা টিসিবির ছোলা-খেজুরসহ ৫ পণ্য বিক্রি শুরু কাল অনলাইনে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহারে সতর্কবার্তা ফেব্রুয়ারি মাসের ভ্যাট রিটার্ন দেওয়া যাবে ২২ তারিখ পর্যন্ত

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেতের কুটির শিল্প

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪

বিজনেস প্রতিদিন ডেস্ক 

গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম ভিত বাঁশ ও বেতের তৈরি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। প্লাস্টিক পণ্যের অবাধ ব্যবহার, করোনা মহামারির দীর্ঘ প্রভাব ও নানা সংকটে এ শিল্পের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারা চাপা পড়ছে।

এক সময় জেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে ঘরবাড়ি নির্মাণ, মৎস্য শিকারের সরঞ্জাম, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বাহারী রঙের গৃহস্থালি আসবাবপত্র তৈরিতে বাঁশ ও বেত প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হতো। গ্রামীণ হাটবাজারে দেখা যেত বাঁশ-বেতের তৈরি জিনিষপত্র। আধুনিকতার ছোঁয়া এবং প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ায় প্রাচীন ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারমুন্সী এলাকার এক বৃদ্ধ বলেন, এক সময়ে লেমুয়া, ভোর বাজার, লস্করহাট, ধলিয়া, বক্তারমুন্সী, কাজীরহাট ও সোনাগাজীর গ্রামীণ জনপদে বাঁশ বেতের সহজলভ্যতা ছিল। এসব গ্রামে বাঁশ ঝাড় ও বেত ঝাড় ছিল চোখের পড়ার মতো। এখন আর এসব দেখা যায় না। বিলুপ্তপ্রায় বাঁশ ও বেত নামে উদ্ভিদ। স্থানীয় লোকজনের মতে- আগে গ্রামীণ নারীরা ডালা, কুলা, চেয়ার, টেবিল, বুকসেল্ফ, মোড়া, ফুলদানি, হাতপাখা, চালনী, চাটাইম ধাইজ্যা, লাই খারাং তৈরিতে ব্যস্ততম সময় পার করতো। তাদের হাতে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতেন।

গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, যেসব দোকানে বাঁশ বেতের তৈরি জিনিষপত্র পাওয়া যেত, এখন কিছু জিনিষপত্র পাওয়া গেলেও দাম আকাশ ছোঁয়া।

জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প (নাসিব) জেলা কমিটির সভাপতি ইফতেখার রিপন জানান, আগের মতো এখন আর হাট-বাজার ও বাড়িতে বাঁশ-বেতের কদর নেই। বর্তমান মিল-কলকারখানা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে আমাদের অনেক পুরনো ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এনামুল হক বলেন, এখন যেভাবে ঘরে ঘরে প্লাস্টিক জিনিষপত্রে ব্যবহার বাড়ছে, এতে মানুষের মধ্যে রোগবলাইয়ের ঝুঁকি বাড়বে এবং পরিবেশ দূষণের শিকার হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com