1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
শেয়ার কারসাজিতে জড়িত ৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা - Business Protidin
শিরোনাম :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রথম এমডি নাবিল মুস্তাফিজুর রহমান শেয়ার ছেড়ে ১৬১ কোটি টাকা তুলবে প্রিমিয়ার সিমেন্ট শেয়ার হোল্ডারদের ৬ কোটি টাকা মুনাফা দেবে সেনা ইনস্যুরেন্স শেয়ার কারসাজিতে জড়িত ৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রতিবাদে আটকে গেলো ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ও ফারিস্তা রিটেইল এজির সমঝোতা চুক্তি বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদকে ন্যাশনাল লাইফের শুভেচ্ছা টিসিবির ছোলা-খেজুরসহ ৫ পণ্য বিক্রি শুরু কাল অনলাইনে আসল টাকার আদলে তৈরি ‘নমুনা নোট’ ব্যবহারে সতর্কবার্তা ফেব্রুয়ারি মাসের ভ্যাট রিটার্ন দেওয়া যাবে ২২ তারিখ পর্যন্ত

শেয়ার কারসাজিতে জড়িত ৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্নি সিস্টেমস পিএলসির শেয়ারদর কারসাজি ও বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ছয় ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশন বিভাগ গত মাসে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

বিএসইসির তথ্যানুসারে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ২০২৪ সালের ২৫ জুন থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত কার্যক্রম তদন্ত করে। তদন্তে দেখা যায়, ওই বছরের ২৫ জুন ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। এরপর থেকে শেয়ারটির দর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে। ১৬ নভেম্বর শেষে শেয়ারটির দর দাঁড়ায় ৩২ টাকায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৩০ দশমিক ৬১ শতাংশের বেশি।

আলোচ্য সময়ে মো. সানোয়ার খান, তার স্ত্রী আসমাউল হুসনা, তার ভাই মো. আনোয়ার পারভেজ খান, মো. আবু তাহের শিকদার, উম্মে সালমা নিপা ও মো. বিপ্লব শেখ সংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ারে ধারাবাহিক লেনদেন করেন। তাদের অতিরিক্ত লেনদেনের কারণে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হয় এবং শেয়ারদর বাড়তে থাকে, যা সিকিউরিটিজ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

২০২৪ সালের ১০ জুন থেকে সিটি ব্যাংকের পোর্টফোলিও ম্যানেজার ছিলেন সানোয়ার খান। এরপর পরই তিনি অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার কারসাজিতে যুক্ত হন। কারসাজির বিষয়ে কমিশনের শুনানিতে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকটির পুঁজিবাজার বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সানোয়ার খানের ওপর অর্পিত ছিল। এ সংক্রান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে সিটি ব্যাংকের বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট লেনদেনসমূহ তার নিজস্ব বিশ্লেষন, বিবেচনা ও পেশাগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, অর্পিত ক্ষমতার আওতায় করা হয়েছে।

কমিশন থেকে তদন্ত-সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার পর ব্যাংক তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় এবং পরে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো সিকিউরিটির ক্রয় বা বিক্রয়ে প্রভাব বিস্তার, উৎসাহিত, নিরুৎসাহিত বা নিজের সুবিধার্থে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে এমন কোনো কাজ, প্রক্রিয়া বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে লিপ্ত হতে পারবেন না, কিংবা এমন কোনো কাজ করতে পারবেন না যা প্রতারণা, ছলনা বা কারসাজি হিসেবে গণ্য হয়। বিশেষ করে ধারাবাহিক লেনদেনের মাধ্যমে কোনো সিকিউরিটিতে কৃত্রিমভাবে সক্রিয় লেনদেনের চিত্র তৈরি করা বা মূল্য বাড়ানো কিংবা কমানোর মাধ্যমে অন্যদের ক্রয় বা বিক্রয়ে প্রভাবিত করাও নিষিদ্ধ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মো. সানোয়ার খানকে ১ কোটি ৫১ লাখ, আসমাউল হুসনাকে ১৫ লাখ, মো. আনোয়ার পারভেজ খানকে ২ লাখ, মো. বিপ্লব শেখকে ৪ কোটি ৩০ লাখ, মো. আবু তাহের শিকদারকে ৬২ লাখ ও উম্মে সালমা নিপাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করে কমিশন। আর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অধ্যাদেশের ধারা-১৭ ভঙ্গের দায়ে সিটি ব্যাংককে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও সতর্ক করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com