1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
সরকারের কাছে চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৪ দাবি ঢাকা চেম্বারের - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রথম দিনেই টাকা তোলার আবেদনের হিড়িক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা ৪৬ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে ডেসকো পরিচালক পদে বিএসইসির ১৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি বিদেশ ভ্রমণের আগে বীমা করেন সিঙ্গাপুরের ৮৬% মানুষ আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ, খসড়া বিধিমালা অনুমোদন জেনিথ লাইফের বীমা সেবার আওতায় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহরা মূল টাকা মিললেও মুনাফা পাবেন না ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তা, বাড়ল ঋণ পরিশোধের সময় তিন ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ২০২৮ থেকে নতুন ভাতা

সরকারের কাছে চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৪ দাবি ঢাকা চেম্বারের

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বেসরকারি খাতের পুনরুজ্জীবনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে নতুন সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে সংগঠনটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ চারটি দাবি তুলেছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবগঠিত সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

এসময় ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি ও অবকাঠামো সক্ষমতা বাড়ানো এবং স্বল্পমেয়াদে চলমান পরিস্থিতির বাস্তবসম্মত উন্নয়ন জরুরি। এছাড়া, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বেসরকারি খাতের পুনরুজ্জীবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ডিসিসিআই চারটি বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যেন নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন সেজন্য কার্যকর আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত ও চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয় দাবি হলো দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসন। এ বিষয়ে তাসকীন আহমেদ বলেন, সরকারি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে।

তৃতীয় দাবি হিসেবে অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের সহায়তার কথা বলা হয়। এ ব্যাপারে প্রস্তাব দেওয়া হয়, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণখেলাপি নন, তাদের প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল (চলতি মূলধন) সহায়তা দিয়ে পুনরায় ব্যবসায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া। সেই সঙ্গে সুদহার যৌক্তিক ও সহনীয় করার দাবি জানিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ঋণের সুদহার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনলে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়বে।

কারা চাঁদা নেন- এমন এক প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, ‘সবাই এসে বলে আমরা সরকারি দলের লোক। যখন যে সরকার আসে সেই সরকারের লোকরাই বলে আমরা সরকারি দলের লোক। পরিবহন থেকে যে চাঁদা নিচ্ছে সেটা কোনো না কোনোভাবে ব্যবসার ওপরে আসছে। যে কোনো মূল্যে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com