নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রসপেক্টাসে মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং যথাযথ ডিউ ডিলিজেন্স না করার অভিযোগ উঠেছে ইস্যু ম্যানেজার শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে।
এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি সনদ (লাইসেন্স) বাতিলের মুখে পড়েছে। বাজারের স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে বিষয়টি তদন্তে নেমেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপপরিচালক মো. শাহনেওয়াজ ও সহকারী পরিচালক মো. আতিকুল্লাহ খান। তদন্ত কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন কমিশনের পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার আদেশে বলা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা, ১৯৯৬ এবং বিএসইসি আইন, ১৯৯৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় এ তদন্ত পরিচালিত হবে।
জানা যায়, তদন্তে একমি পেস্টিসাইডসের আইপিও প্রসপেক্টাসে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে শাহজালাল ইক্যুইটির অবহেলা ও দায়িত্বে গাফিলতি খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল করা উচিত কি না, সে বিষয়ে সুপারিশ দেবে কমিটি।
এ ছাড়া গ্রাহকদের কাছে প্রাপ্য ও প্রদেয় অর্থের হালনাগাদ তথ্য, সম্পদ ও দায়ের বিবরণ এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালার কোনো লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আইপিও প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বাড়াবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কমিশনের ৯৭৩তম সভায় শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের লাইসেন্স বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি একমি পেস্টিসাইডসের আইপিওতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
Leave a Reply