1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ব্যাংক ও পুঁজিবাজারসহ বিভিন্ন খাতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী - Business Protidin
শিরোনাম :
আইডিআরএ’র ব্যর্থতায় পাঁচ মাসেও ‘বৈধ’ হতে পারেনি দেশের বিমা কোম্পানিগুলো ব্যাংক কার্ড থেকে বিকাশ-নগদ-রকেটে টাকা আনতে নতুন নিয়ম ব্যাংক ও পুঁজিবাজারসহ বিভিন্ন খাতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ডিআরইউ’র দুই সদস্যের মৃত্যু দাবীর ৬ লাখ টাকা দিল ন্যাশনাল লাইফ ‘এস আলম’ দেশি নাকি বিদেশি কোম্পানি, তা স্পষ্ট নয়: বদিউল আলম মজুমদার কুমিল্লায় পপুলার লাইফের বার্ষিক সম্মেলন ও বীমা দাবির চেক হস্তান্তর বাজারে আসছে অর্থসচিবের সই করা ৫ টাকার নতুন নোট অস্বাভাবি বাড়ছে ডমিনেজ স্টিলের শেয়ার দর ইউ ফিনটেকের সাথে প্রোটেক্টিভ লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি স্বাক্ষর মার্জিন ঋণ অনিয়মে নজরদারিতে তিন ব্রোকারেজ হাউজ

ব্যাংক ও পুঁজিবাজারসহ বিভিন্ন খাতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর্থিক শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কার্যকর ভূমিকার অভাবে দেশের ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারসহ বিভিন্ন খাতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘ফাইনান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড রিপোর্টিং (ফার) সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থনীতিকে বাঁচাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিকল্প নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো গত কয়েক বছরে প্রায় অকার্যকর অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল। আমরা এখন একটি ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছি। এখান থেকে দেশ কোন পথে যাবে, তা নির্ভর করছে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করবে তার ওপর।

দেশে করপোরেট সুশাসন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) বাংলাদেশ, দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর যৌথ উদ্যোগে এ সামিট আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী আমির খমরু বলেন, আর্থিক প্রতিবেদন, অডিট ও কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক চিত্র তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের অডিটিং ও রিপোর্টিং ইকোসিস্টেম প্রায় ভেঙে পড়েছে। ফলে ব্যাংক থেকে অর্থপাচার, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঋণ নেওয়া এবং পুঁজিবাজারে ভুয়া কোম্পানির তালিকাভুক্তির মতো ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, যেসব কোম্পানি ফলস রিপ্রেজেন্টেশন করে স্টক মার্কেটে এসেছে, তারাই অনেক ক্ষেত্রে বড় কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এতে ভালো ও স্বচ্ছ কোম্পানিগুলো বাজারে আসতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশের বেসরকারি খাতে বড় ধরনের মূলধন ঘাটতি রয়েছে। অনেক সফল কোম্পানি এবং একাধিক ব্যাংকও গুরুতর ক্যাপিটাল ডেফিসিটে ভুগছে। এর পেছনে খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার এবং বোর্ড ও ব্যবস্থাপনার যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা দায়ী।

ব্যাংক মালিকানার ধারণা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ব্যাংকের প্রকৃত মালিক শেয়ারহোল্ডার ও আমানতকারীরা। কেউ ব্যক্তিগতভাবে ব্যাংকের মালিক দাবি করে বোর্ডে বসে নিজেরাই ঋণ অনুমোদন করবে—এটা সঠিক নয়। এফআরসি শুধু ওভারসাইট করতে পারে। কিন্তু সঠিক রিপোর্টিং ও অডিটের দায়িত্ব শুরু হতে হবে আপনাদের ভেতর থেকেই।

নিজের বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ের একটি উদাহরণ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিজিএমইএকে ইউডি সার্টিফিকেট দেওয়ার দায়িত্ব দিয়ে সরকার বড় ঝুঁকি নিয়েছিল। কিন্তু তারা সফলভাবে সেই দায়িত্ব পালন করেছে। একইভাবে পেশাজীবী সংগঠনগুলোকেও নিজেদের সদস্যদের কার্যক্রম তদারকি করতে হবে।

বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বড় বড় আন্তর্জাতিক ফান্ড ম্যানেজার ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখাচ্ছে। জেপি মরগ্যানসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আসতে চায়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com