নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন জীবন বীমা কোম্পানির লাইসেন্স পাওয়ার শর্ত হিসেবে ১৮ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন বাধ্যতামূলক হলেও, দেড় কোটি টাকা ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও শান্তা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডকে অনুমোদন দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সম্প্রতি এমন অভিযোগ উঠেছে নতুন এই বীমা কোম্পানিটির বিরুদ্ধে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর ব্যাংকে ১৮ কোটি টাকা জমা দেখিয়ে ব্যালান্স সার্টিফিকেট ও নিরীক্ষা সনদ নেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে ওই অর্থের বড় অংশ এফডিআর ও ট্রেজারি বন্ডে রূপান্তর করে লিয়েন দেখানো হয়, ফলে পরিশোধিত মূলধনে ঘাটতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ।
বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী উদ্যোক্তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাব থেকে মূলধন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, ১৪ জন উদ্যোক্তার অর্থ মাত্র চারটি ব্যাংক হিসাব থেকে জমা হয়েছে বলে নথিতে দেখা যায়।
এছাড়া আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বা তার পরিবার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে পারলেও, দুই পরিবারের হাতে কোম্পানির প্রায় ৭২ শতাংশ শেয়ার কেন্দ্রীভূত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কোম্পানিটি ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর লাইসেন্স পায়। তবে এসব শর্ত লঙ্ঘন ও অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানি কোনো মন্তব্য দেয়নি। আইডিআরএ জানিয়েছে, পূর্ববর্তী কর্তৃপক্ষের সময়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply