1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ব্যবসা-বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে: বিএবি চেয়ারম্যান - Business Protidin
শিরোনাম :
বীমা খাতে লাইফ ফান্ড ঋণাত্মক সাত কোম্পানির, শীর্ষে ফারইস্ট ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ব্যবসা-বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে: বিএবি চেয়ারম্যান ধারে ইসলামী ব্যাংকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স পাওয়ার শর্তে অনিয়মের অভিযোগ শান্তা লাইফের বিরুদ্ধে ৫৪ বছরে দেশে কোটি টাকার হিসাব বেড়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার ৪৮০ ন্যাশনাল লাইফে গ্রামীণফোন কর্মকর্তার ১০ লাখ টাকার বীমা পলিসি গ্রহণ আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন অবৈধ কমিশনের সন্ধানে ৯ বিমা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে আইডিআরএ  ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় সাত দফা দাবিতে গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি

ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ব্যবসা-বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে: বিএবি চেয়ারম্যান

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ও বিধান ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার। যা বর্তমান বাস্তবতায় ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অতীতের কিছু অনিয়ম ও অপরাধের দায় বর্তমান ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

আবদুল হাই সরকার বলেন, আর্থিক খাতে এমন কিছু বিধান রয়েছে, যা ব্যবসা ও শিল্পের স্বাভাবিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এসব আইন ও বিধিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

একাধিক ব্যাংকে পরিচালক হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধিনিষেধেরও সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, যেসব উদ্যোক্তার একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে, তাদের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি সম্প্রসারণ ব্যাহত হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংক থেকে অর্থ বের করে নেওয়া কোনো স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম নয়, বরং তা এক ধরনের লুটপাট। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে অনেক শক্তিশালী ব্যাংকও দুর্বল হয়ে পড়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো প্রকৃত মালিককে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়ে থাকলে তাদের পুনর্বহালের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইতিবাচক ট্র্যাক রেকর্ড থাকতে হবে এবং ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে অবদান রাখার সক্ষমতা থাকতে হবে।ব্যাংককে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে প্রয়োজন হলে যোগ্য ও অভিজ্ঞ পুরোনো মালিকদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com