1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ডিজিটাল লেনদেন বাড়লেও নগদ টাকার ব্যবহার কমেনি - Business Protidin
শিরোনাম :
জুয়া-হুন্ডি ঠেকাতে আরও ১৪ হাজার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করছে বিএফআইইউ রহিমা ফুডের শেয়ার কারসাজির প্রমাণ পেয়েছে ডিএসই গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বন্ধ ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা গ্যাস বিলের ৯৮১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ইউনাইটেড পাওয়ারের, সত্যতা পেয়েছে দুদক ডিজিটাল লেনদেন বাড়লেও নগদ টাকার ব্যবহার কমেনি ছোট ঋণেও বাড়ছে খেলাপি, এক বছরে বেড়েছে প্রায় ২৪ লাখ গ্রাহক বিকেএসপির তিন শিক্ষার্থীর ৩ লাখ টাকার দাবী পরিশোধ করল ন্যাশনাল লাইফ ডিজিটাল বীমা সেবায় নতুন যুগে পদার্পণ জেনিথ লাইফের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫ শতাংশ কর প্রণোদনা: এনবিআর ডিএসইর কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডিজিটাল লেনদেন বাড়লেও নগদ টাকার ব্যবহার কমেনি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়লেও নগদ টাকার ব্যবহার কমার কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে শেষে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। জুন ও জুলাইয়ে এই অঙ্ক আরও বেড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তার নগদের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি। বড় অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি, নগদনির্ভর ব্যবসা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সীমিত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যাংকিং খাতের প্রতি আস্থার ঘাটতির কারণে নগদ অর্থের ব্যবহার এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকের বাইরে থাকলে তা ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বাভাবিক অর্থপ্রবাহে যুক্ত হয় না। এতে ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ ও ঋণ বিতরণের সক্ষমতা কমে যায়। পাশাপাশি কর ফাঁকি, অপ্রদর্শিত আয় ও অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির বিস্তারের ঝুঁকিও বাড়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১১ সালে ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৮ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে তা ধারাবাহিকভাবে বেড়ে ২০২১ সালের জুনে ২ লাখ ৯ হাজার কোটি, ২০২২ সালে ২ লাখ ৩৬ হাজার কোটি এবং ২০২৩ সালে প্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে। গত বছরের জুনে এ পরিমাণ ছিল প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে চলতি বছরের মে মাসেই ৩ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, জুনে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতার সময় গ্রাহকদের বড় একটি অংশ আমানতের অর্থ তুলে নেওয়ায় ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ওই সময় শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই বিপুল পরিমাণ আমানত তুলে নেওয়া হয়।

একই সঙ্গে অন্যান্য কয়েকটি ব্যাংক থেকেও গ্রাহকরা নগদ অর্থ উত্তোলন করেন। এর ফলে জুনে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থ ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় এবং জুলাইয়ে তা ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে।

তবে একই সময়ে ব্যাংক খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৫২২ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। মে শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪১ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা।

এদিকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে দ্রুত অগ্রগতি হলেও নগদ অর্থের চাহিদা কমছে না। বিষয়টিকে আর্থিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com