1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ঠেকাতে নজরদারি জোরদার - Business Protidin
শিরোনাম :
পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ঠেকাতে নজরদারি জোরদার আইপিওতে যাচ্ছে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান কোম্পানিগুলোর সম্পদ বিক্রি করে হলেও বিমা দাবি পরিশোধে বাধ্য করা হবে: অর্থমন্ত্রী শেয়ারবাজারে টানা দরপতনে শীর্ষ ১০ ব্রোকারকে নিয়ে বৈঠকে বসবে ডিএসই ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া, পরিশোধের লক্ষ্য ৭৫ শতাংশ তরুণ উদ্যোক্তারা জামানত ছাড়া পাবে ২০ লাখ টাকা ঋণ চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত বড় পতন শেয়ারবাজারে, ৩৩ দিনে ডিএসইর সূচক কমল ৪৮৫ পয়েন্ট খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকের এমডিদের ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন

পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ঠেকাতে নজরদারি জোরদার

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদার করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে পৃথক মানিলন্ডারিং পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) একটি সার্কুলার জারি করেছে বিএফআইইউ। এতে পুঁজিবাজারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে চিফ অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারের (ক্যামলকো) নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট (সিসিইউ) গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে শাখাগুলোতে শাখা অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (বিএএমএলকো) নিয়োগ দিতে হবে।

বিএফআইইউ বলেছে, অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

গ্রাহকের তথ্য যাচাইয়ে কঠোরতা: নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের হিসাব খোলার সময় নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করতে হবে। প্রয়োজনে ই-কেওয়াইসি পদ্ধতিও ব্যবহার করা যাবে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলুশন ও বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা নিষিদ্ধ সত্তার সঙ্গে কোনো গ্রাহকের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।

সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত জানাতে হবে: গ্রাহকের লেনদেন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কোনো লেনদেন জটিল, অস্বাভাবিক, অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা সন্দেহজনক মনে হলে তা লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট শাখার বিএএমএলকোকে জানাতে হবে।

এরপর কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট বিষয়টি যাচাই করবে। প্রয়োজন হলে গো-এএমএল ওয়েবের মাধ্যমে দ্রুত বিএফআইইউতে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রতিবেদন দিতে হবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে হবে।

ছয় মাস পরপর স্ব-মূল্যায়ন: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকর আছে কি না, তা যাচাই করতে প্রতি ছয় মাসে একবার স্ব-মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে এসব কার্যক্রম যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করতে হবে। তাঁদের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হিসাব বন্ধ হলেও তথ্য রাখতে হবে: কোনো গ্রাহকের হিসাব বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও লেনদেনের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যবসায়িক সম্পর্ক শেষ হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত এসব তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ করতে হবে।

বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনার ফলে পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রাহক যাচাই, লেনদেন পর্যবেক্ষণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত ও প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে আরও কঠোরতা আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com