1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ভারতের শেয়ারবাজারে ধস, সূচক ৮ হাজার পয়েন্ট পতন - Business Protidin
শিরোনাম :
বিশ্বজিৎ মন্ডলের ক্ষমা প্রার্থনা: চার শর্তে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অপরিবর্তিত রেখে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ যুদ্ধের খবরে বিধ্বস্ত দেশের শেয়ারবাজার, সূচকে বড় পতন বাজার মধ্যস্থতাকারীরা ধুঁকলেও ফুলে-ফেঁপে উঠছে বিএসইসির আয় পটপরিবর্তনের পর বন্ধ কারখানা চালু করতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে রিজার্ভ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সমস্যার জন্য পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান শ্রম আইনের অনিয়ম থেকে বেরোতে পারেনি ক্রাফটসম্যান একীভূত ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার অপপ্রচার-ষড়যন্ত্রের অংশ: গভর্নর

ভারতের শেয়ারবাজারে ধস, সূচক ৮ হাজার পয়েন্ট পতন

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪

বিজনেস প্রতিদিন ডেস্ক: পতনেই চলছে ভারতের শেয়ারবাজার। সূচকের এমন পতনে মাথায় হাত বিনিয়োগকারীদের। সেরা সময় থেকে সেনসেক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার পয়েন্ট পতন হয়েছে। নিফটির লেখচিত্রতে ১০ শতাংশের বেশি পতন লক্ষ করা গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, এখনই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না শেয়ারবাজার। উল্টো আরও কিছুটা কমতে পারে শেয়ার সূচক। এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীরাও তাঁদের বিনিয়োগকারী নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন।

এই পরিস্থিতিতে মিউচুয়াল ফান্ড বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যানে (এসআইপি) বিনিয়োগ কতটা লাভজনক? এতে বিনিয়োগের জন্য আরও কিছু দিন কি অপেক্ষা করা উচিত? ইতিমধ্যেই এই সমস্ত প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজার পতনের সময় মিউচুয়াল ফান্ড বা এসআইপিতে বিনিয়োগ করলে স্বাভাবিকভাবেই সেগুলির মূল্য হ্রাস হয়ে থাকে। আবার শেয়ারবাজারের ‘ষাঁড়’ ছুটতে শুরু করলেই চড়চড়িয়ে বাড়তে থাকে এর দাম।

তবে গ্রাহক যখন সমগ্র বাজারের চক্র জুড়ে ক্রয় করেন, তখন মোট খরচ গড় হয়ে যায়। যার অর্থ হল, কেনাকাটার সঠিক মূল্যের জন্য তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে না। আর তাই নিয়মিত বিরতিতে লেনদেনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

এসআইপিতে বিনিয়োগের ব্যাপারে মুখ মুখেছেন দিল্লির চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং আর্থিক উপদেষ্টা দীপক আগরওয়াল। তিনি বলেন, ‘‘বাজার সংশোধনের সময়কে লেনদেনের জন্য বেছে নেওয়া উচিত। এসআইপি বন্ধ করার পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা বাজারের সংশোধনকেই পুঁজি করতে পারেন। এটি আরও বেশি পরিমাণে কেনার সুযোগ হিসাবে দেখতে পারেন তাঁরা।’’

একই কথা সুর শোনা গিয়েছে ‘নুভামা ওয়েলথ’-এর রিজিওন্যাল প্রধান কুণাল আচার্যর গলায়। তাঁর কথায়, ‘‘এসআইপি এমনই একটা প্রকল্প, যেখানে প্রতি মাসে বিনিয়োগ করতে হয়। লম্বা সময়ে বিনিয়োগের কথা ভেবে এই প্রকল্পে টাকা ঢালেন গ্রাহক। বাজার নিম্নমুখী থাকলে কম টাকায় বেশি ইউনিট কেনার সুযোগ পাবেন তিনি। আর সেটাই আগামী দিনে মোটা টাকা পেতে সাহায্য করবে তাঁকে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com