1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ভারতের গ্রাম এলাকায় মিউচুয়াল ফান্ডকে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

ভারতের গ্রাম এলাকায় মিউচুয়াল ফান্ডকে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিউচুয়াল ফান্ডের কেওয়াইসিতে (নো ইয়োর কাস্টমার) এবার ‘দুয়ারে ডাকঘর’! নথি যাচাই করতে বাড়িতে আসবেন সরকারি কর্মী। এজন্য নিপ্পন ইন্ডিয়া মিউচুয়াল ফান্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ডাক কর্তৃপক্ষ। গ্রামীণ এবং দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে মিউচুয়াল ফান্ডকে ছড়িয়ে দিতে জননিবেশ প্রকল্প চালাচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ডাকঘর এবং নিপ্পনের যৌথ উদ্যোগে সেটি সাফল্যের মুখ দেখবে বলে দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদী সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরা।

বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি বিবৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে আছে ডাকঘর। কেওয়াইসির নথি যাচাইতে সেখানকার কর্মীদের ব্যবহার করলে প্রক্রিয়াটি অনেকটাই সহজ হবে। প্রত্যন্ত এলাকার অনেকেই যোগাযোগের অসুবিধার কারণে কেওয়াইসি নথি যাচাই করাতে পারেন না। ফলে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ অধরাই থেকে যায়। নতুন ব্যবস্থায় সেই সমস্যা মিটবে বলে আশাবাদী সরকার।

মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক। তবে সেটা একবার করলেই চলে। সংশ্লিষ্ট কেওয়াইসি সমস্ত অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার ক্ষেত্রে বৈধ থেকে যায়। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থায় প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা ঘরে বসেই কেওয়াইসির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

সরকারি তথ্য বলছে, ভারতীয় ডাকঘর কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ইউনিট ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (ইউটিআই) এবং স্পেসিফায়েড আন্ডারটেকিং ফর ইউনিট ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (এসইউইউটিআই) জন্য ৫ লাখের বেশি কেওয়াইসির নথি যাচাইয়ের কাজ অতি অল্প সময়ের মধ্যে সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছে। ‘‘এতেই সংশ্লিষ্ট দফতরটির বৃহৎ পরিসরে কাজ করার দক্ষতার প্রমাণ মিলেছে,’’ বিবৃতিতে বলেছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

কেওয়াইসির নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ‘দুয়ারে ডাকঘর’-এর সুবিধা পেতে গ্রাহককে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করতে হবে। কেওয়াইসির রেজিস্ট্রেশন সংস্থা কেআরএ বা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার ওয়েবসাইটে ঢুকে কেওয়াইসির ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে তাঁকে। এর পর নির্ভুল ভাবে ফর্মটি পূরণ করবেন তিনি। সেখানে অবশ্যই নাম, বাড়ির ঠিকানা, পার্মানেন্ট অ্যাকউন্ট নম্বর বা প্যান এবং আধার নম্বর দিতে হবে তাঁকে।

এর পর সংশ্লিষ্ট তথ্যের সপক্ষে যাবতীয় নথির স্ব-প্রত্যয়িত কপি সংযুক্ত করে কেআরএ বা মিউচুয়াল ফান্ডের এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট তহবিলটির দফতরে জমা করবেন ওই গ্রাহক। যাবতীয় নথি জমা হয়ে গেলে তা যাচাইয়ের জন্য ওই ব্যক্তির বাড়িতে যাবেন ডাক কর্মীরা। তবে এর জন্য এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com