1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রথম দিনেই টাকা তোলার আবেদনের হিড়িক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে জুনে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ কোটি টাকা ৪৬ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে ডেসকো পরিচালক পদে বিএসইসির ১৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি বিদেশ ভ্রমণের আগে বীমা করেন সিঙ্গাপুরের ৮৬% মানুষ আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ, খসড়া বিধিমালা অনুমোদন জেনিথ লাইফের বীমা সেবার আওতায় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহরা মূল টাকা মিললেও মুনাফা পাবেন না ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তা, বাড়ল ঋণ পরিশোধের সময় তিন ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ২০২৮ থেকে নতুন ভাতা

পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে কত টাকা ফেরত আসবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “টাকা যারা পাচার করে, তারা খুব কৌশলে করে। ফেরত আনতে সময় লাগবে। তবে কিছু অগ্রগতি হয়েছে এবং বিভিন্ন লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে কিছু অর্থ আসতে পারে, বাকিটা আনতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া মেনে চললে তবেই টাকা ফেরত আসবে। সুইস ব্যাংকে ফোন দিয়ে টাকা আনা সম্ভব নয়। আইনি পথেই তা সম্ভব।

অর্থ উপদেষ্টা জানান, ১১-১২টি মামলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ পাচারের ঘটনাগুলোকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

নতুন সরকার এ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে কি না। এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “চালাতেই হবে। কারণ প্রক্রিয়া বন্ধ হলে টাকা ফেরত আসবে না।”

পাচার অব্যাহত রয়েছে এমন মন্তব্যে তিনি বলেন, “কিছুদিন পর একটি রিভিউ করা হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে। কোথায় তাদের টাকা ও পাসপোর্ট আছে, সে তথ্যও হাতে এসেছে।”

দেশের পুষ্টি ঘাটতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিশু ও মায়েদের মধ্যে কিছুটা পুষ্টিহীনতা রয়েছে। এজন্য সরকার ভিজিএফ ও বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে। আমাদের খাদ্যাভ্যাস সুষম নয় এবং প্রোটিন, বিশেষ করে ডিমের মতো খাবার অনেকের নাগালের বাইরে। এই ঘাটতি পূরণে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com