1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
বীমা জরিপকারীর আচরণবিধি প্রবিধানমালার গেজেট প্রকাশ - Business Protidin
শিরোনাম :
ব্যাংকিং কার্ড ছাড়ালো পাঁচ কোটি, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে শীর্ষে ডাচ্-বাংলা ও সিটি ব্যাংক শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ থাকা তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের কারখানা চালু উৎসে কর কর্তন যাচাইয়ে মাঠে এনবিআরের বিশেষ মনিটরিং টিম নতুন ঋণ পেতে রাজস্ব ও ব্যাংকিং সংস্কারে জোর আইএমএফের ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তা-পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পিপলস লিজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদে আসতে চায় উদ্যোক্তারা কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন এমডি আবেদুর রহমান সিকদারের যোগদান শেখ হাসিনা পরিবারসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ পুরনো মালিকানায় ফিরছে আল-আরাফাজ ব্যাংক

বীমা জরিপকারীর আচরণবিধি প্রবিধানমালার গেজেট প্রকাশ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বীমা জরিপকারী ও ক্ষতি নির্ধারকদের দায়িত্ব, কর্তব্য ও আচরণবিধি নির্ধারণ করে নতুন প্রবিধানমালার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। ‘বীমা জরিপকারী এবং ক্ষতি নির্ধারকের কর্তব্য, দায়িত্ব ও আচরণবিধি প্রবিধানমালা–২০২৫’ শিরোনামে এই গেজেট গত ২৫ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) ওয়েবসাইটে গেজেটটির কপি প্রকাশ করা হয়।

প্রবিধানমালায় বলা হয়েছে, নন–লাইফ বীমা চুক্তির আওতায় বীমাকৃত কোনো পণ্য, সম্পত্তি বা স্বার্থে ক্ষতি হলে তা নিরূপণের জন্য বীমা জরিপকারী ও ক্ষতি নির্ধারককে প্রয়োজনীয় তদন্ত, পরিমাপ ও যাচাই কার্যক্রম পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সম্পন্ন করতে হবে। জরিপ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

প্রবিধানমালা অনুযায়ী, জরিপকারীর সঙ্গে বীমাকারী বা বীমাগ্রহীতার কোনো পারিবারিক বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকলে তা জরিপ প্রতিবেদনে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে বীমাকারীর দায় ও বীমাগ্রহীতার দাবির বিষয়ে গোপনীয়তা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। ক্ষতি নিরূপণের ক্ষেত্রে সরেজমিনে সম্পত্তি পরিদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে একাধিকবার পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া বীমা পলিসির শর্ত অনুযায়ী ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, সহবীমা বা একাধিক বীমার ক্ষেত্রে ক্ষতির হার উল্লেখ, উদ্ধারকৃত সম্পদের (স্যালভেজ) মূল্য নির্ধারণ এবং দাবি নাকচের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মতামতের প্রয়োজন হলে বীমাকারীর সম্মতিক্রমে বিশেষজ্ঞ নিয়োগের সুযোগও রাখা হয়েছে।

প্রবিধানমালায় আরও বলা হয়েছে, জরিপকারীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষভাবে প্রতিবেদন দাখিল করবেন এবং বীমা চুক্তিতে উল্লেখিত কাগজপত্রের বাইরে অতিরিক্ত কোনো নথি চাইতে পারবেন না। তবে যৌক্তিক কারণ থাকলে তা উল্লেখ করে অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া যাবে। ক্ষতিপূরণের অর্থের পরিমাণও প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

আচরণবিধিতে সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে জরিপ কার্য সম্পাদনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জরিপসংক্রান্ত তথ্য ও নথি কমপক্ষে তিন বছর সংরক্ষণ এবং বীমাগ্রহীতা বা বীমাকারীর লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ না করার বিধান রাখা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com