1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
প্রাইজবন্ডে কমছে আগ্রহ, সঞ্চয়কারীদের ঝোঁক অন্য খাতে - Business Protidin
শিরোনাম :
ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জার থেকে কেনা যাবে ৩ হাজার ডলার নবাবগঞ্জে পপুলার লাইফের ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা খেলাপি ঋণ আদায়ে সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জমি জব্দ ইউসিবির বেক্সিমকো ও শাইনপুকুরের নতুন বোর্ড অনুমোদন বছরের প্রথমার্ধে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয়ে ধস গ্রাহকের ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কার্ড সেবা চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে আসতে পারবে বড় কোম্পানি নন-লাইফে কমপক্ষে ৭০% দাবি পরিশোধের নির্দেশ, বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

প্রাইজবন্ডে কমছে আগ্রহ, সঞ্চয়কারীদের ঝোঁক অন্য খাতে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের গ্যারান্টিযুক্ত প্রাইজবন্ডে একসময় সাধারণ সঞ্চয়কারীদের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এখন তা কমছে। কমেছে প্রাইজবন্ডের বিক্রি ও এর মাধ্যমে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণের পরিমাণও। সংশ্লিষ্টদের মতে, উপযুক্ত প্রচারের অভাব এবং বাজারে প্রাইজবন্ডের তুলনায় বেশি মুনাফা ও সহজলভ্য সঞ্চয়ী উপকরণ থাকায় সঞ্চয়কারীরা এখন বিকল্প খাতে ঝুঁকছেন।

১৯৭৪ সালে জনগণের জন্য সরকারের বিনিয়োগ প্রকল্প বা সঞ্চয়ী উপকরণ হিসেবে প্রাইজবন্ড চালু হয়। বর্তমানে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বাজারে রয়েছে। কোনো বিনিয়োগসীমা ছাড়াই বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা, বাণিজ্যিক ব্যাংক, ডাকঘর ও জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের শাখা থেকে এটি কেনা যায়। এতে কোনো নির্ধারিত সুদ বা মুনাফা নেই। তবে প্রতি তিন মাস পরপর লটারির মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রাইজবন্ডের ৪৬টি সিরিজ রয়েছে। প্রতি ড্রতে প্রতিটি সিরিজের জন্য প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার সোয়া ৩ লাখ টাকা, তৃতীয় পুরস্কার দুটি ১ লাখ টাকা করে, চতুর্থ পুরস্কার দুটি ৫০ হাজার টাকা করে এবং পঞ্চম পুরস্কার ৪০টি ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রতি ড্রতে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ আয়কর কেটে রাখা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৯ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রাইজবন্ড বিক্রি হলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিক্রি হয়েছে ৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে বিক্রি কমেছে ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ২১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

একই সময়ে প্রাইজবন্ডের মূল অর্থ ও লটারির পুরস্কার বাবদ সরকারের পরিশোধও কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল অর্থ পরিশোধ করা হয় ৬৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং লটারির পুরস্কার বাবদ ৪৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর গত অর্থবছরে এ দুটি খাতে পরিশোধ হয়েছে যথাক্রমে ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ও ২৮ কোটি ২০ লাখ টাকা।

ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নিট বিক্রি ছিল ৩২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। পরের অর্থবছরে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৫০ লাখ টাকায়। এক বছরে নিট বিক্রি কমেছে ১০ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ৩৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগে প্রাইজবন্ড নিয়ে ব্যাপক প্রচার থাকলেও এখন তা প্রায় নেই। ফলে নতুন প্রজন্মের কাছে এর বিষয়ে আগ্রহ ও ধারণা দুটিই কমছে। এর পাশাপাশি ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বর্তমান সময়ে তুলনামূলক কম আকর্ষণীয় হওয়ায় মূল্যমান বাড়ানোর প্রস্তাবও এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সময়ে ৫০০ বা ১ হাজার টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু করা যেতে পারে। পাশাপাশি এর সুবিধাগুলো নিয়ে প্রচার বাড়ানো এবং মুনাফার ওপর কর তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আকর্ষণীয় সঞ্চয়ী উপকরণের প্রচার বাড়ায় গ্রাহকদের একটি অংশ এখন সেদিকেই ঝুঁকছেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com