1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ছয় আইপিওর আবেদন জমা, তুলতে চায় ৬১৩ কোটি টাকা - Business Protidin
শিরোনাম :
ছয় আইপিওর আবেদন জমা, তুলতে চায় ৬১৩ কোটি টাকা তালিকাভুক্ত ১৪ ব্যাংকের ৯টির মুনাফা বেড়েছে, কমেছে ৫ টির ৪০০ কোটি টাকা তুলতে আইপিওর আবেদন কনফিডেন্স পাওয়ারের ডিএসইতে শ্রমিক নেই তবুও ৩২ কোটি টাকার তহবিল, খাচ্ছে কর্মকর্তারা বীমা কোম্পানির সিএফও হতে নতুন শর্ত, আইডিআরএ’র অনুমোদন বাধ্যতামূলক আইপিও’র নিয়মে বড় পরিবর্তন, বাড়ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুবিধা পাঁচ বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রিতে অনিয়ম, নথি যাচাই করবে বিএসইসি জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন এস এম নুরুজ্জামান প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর স্বাস্থ্যবীমার বাইরে দেশের ৯৯.৬ শতাংশ শিশু

ছয় আইপিওর আবেদন জমা, তুলতে চায় ৬১৩ কোটি টাকা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে নতুন আইপিওবিহীন পুঁজিবাজারে শেষ মুহূর্তে আবেদন জমা দিয়েছে ছয় কোম্পানি। হিসাব বছর শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত ১২০ দিনের সময়সীমা ফুরানোর আগে এসব কোম্পানি শেয়ার ছেড়ে মোট ৬১৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করতে চায়। দীর্ঘ মন্দায় বিপর্যস্ত পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তৎপরতার মধ্যেই আবেদনগুলো জমা পড়েছে।

আইপিও’র আবেদন করা কোম্পানিগুলো হচ্ছে—কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি, পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি, স্ক্যানডেক্স (বিডি) লিমিটেড, অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স পিএলসি, ডজিকন টেকনোলজিস পিএলসি ও প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

এই ছয় কোম্পানির মধ্যে কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০০ কোটি টাকা তুলতে চায়। অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে পার্কওয়ে ৪০ টাকা, স্ক্যানডেক্স ১৩ টাকা এবং বাকি তিনটি কোম্পানি ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব দিয়েছে।

এরআগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পুঁজিবাজারে আর কোনো নতুন আইপিও আসেনি। রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর আগে জমা থাকা আইপিও আবেদনগুলো বাতিল বা ফেরত পাঠায়। তবে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে এখন নতুন আইপিও অনুমোদনে আগ্রহী বিএসইসি। এ জন্য সম্ভাবনাময় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আইপিও বিধিমালায় বিভিন্ন ছাড় ও শর্ত শিথিলের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, হিসাব বছর শেষ হওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর ভিত্তিতে আইপিও আবেদন জমা দিতে হয়। এই সময়সীমা বিবেচনায় জুনে হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর জন্য ২৮ অক্টোবর আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সেদিনই ছয় কোম্পানি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আইপিও আবেদন জমা দেয়।

এখন বিএসইসিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। অবশ্য অনুমোদন নির্ভর করবে আর্থিক সক্ষমতা, প্রকাশিত তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা ও তালিকাভুক্তির যোগ্যতা যাচাইয়ের ওপর। বিশেষ করে অতীতে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিকে আইপিও অনুমোদন দেওয়ার অভিজ্ঞতায় নতুন আবেদনগুলোর যাচাই-বাছাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইর ওয়েবসাইটে পাওয়া প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটির শেয়ার ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রসপেক্টাসে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ২৪২ টাকা দেখানো হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত মূল্য নয়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপক ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

ডিবিএল গ্রুপের পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি ১ কোটি ৯৫ লাখ শেয়ার প্রতিটি ৪০ টাকা দরে ছেড়ে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। এর মধ্যে শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা প্রিমিয়াম। প্রতিষ্ঠানটির ইস্যু ব্যবস্থাপক শান্তা ইকুইটি লিমিটেড।

স্ক্যানডেক্স (বিডি) লিমিটেড ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে। কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ১৩ টাকা দরে ছাড়তে চায়। এর মধ্যে ৩ টাকা প্রিমিয়াম। ইস্যু ব্যবস্থাপক এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

আর্থিক খাতের অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স পিএলসি ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার প্রতিটি ১০ টাকা দরে ছাড়তে চায়। ইস্যু ব্যবস্থাপক ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

প্রযুক্তি খাতের ডজিকন টেকনোলজিস পিএলসি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩০ কোটি টাকা এবং প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড দেড় কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। উভয় প্রতিষ্ঠানের ইস্যু ব্যবস্থাপক আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

ছয় কোম্পানির প্রস্তাবিত অর্থের প্রায় ৬৫ শতাংশই কনফিডেন্স পাওয়ারের। প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি আয় ৩১ টাকা ৮৩ পয়সা। অন্যদিকে পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় ৩ টাকা ৭৪ পয়সা এবং অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সের মাত্র ৩২ পয়সা। ফলে আবেদনকারী কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতায় বড় পার্থক্য রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com