1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
দুই বছর পর জব্দ বিও হিসাবে লেনদেনের সুযোগ দিচ্ছে বিএসইসি - Business Protidin
শিরোনাম :
বাংলাদেশ কমার্স ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের পর্ষদে পাঁচ স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ পাঠানো সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক দুই বছর পর জব্দ বিও হিসাবে লেনদেনের সুযোগ দিচ্ছে বিএসইসি এশিয়ার শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি, একদিনে সম্পদ বেড়েছে ৮৫০ কোটি ডলার আইন লঙ্ঘন করে বিদেশ ভ্রমণে বেস্ট লাইফের সিইও দাবি পরিশোধের তহবিল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন পলিসি বিক্রি বন্ধ প্রগ্রেসিভ লাইফের খেলাপি বিনিয়োগ, প্রভিশন ঘাটতি ও মূলধন সংকটে চাপে আল-আরাফাহ ব্যাংক উৎপাদন ব্যবসায় বড় লোকসানে জিকিউ বলপেন শেয়ারবাজারের বিশেষ তহবিলের মেয়াদ বাড়ল আরও এক বছর ডিএসইর অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনে লাগবে না স্কিম সংশোধন

দুই বছর পর জব্দ বিও হিসাবে লেনদেনের সুযোগ দিচ্ছে বিএসইসি

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুই বছর ধরে জব্দ থাকা কিছু বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ ফিরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এসব হিসাবে নতুন করে টাকা জমা, শেয়ার কেনাবেচা এবং মার্জিন সুবিধা সমন্বয় করা যাবে। তবে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকছে না। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিএসইসির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশনের মুখপাত্র আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে কিছু বিও হিসাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করা হয়েছে। এসব হিসাবে নিয়মিত লেনদেন, নতুন অর্থ জমা এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবের বিপরীতে পাওনা নিষ্পত্তির সুযোগ থাকবে। তবে অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে এসব বিও হিসাব জব্দ করা হয়। বিএসইসি নিজ উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নির্দেশনা ও আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এসব হিসাব জব্দ করে।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৬১৭টি বিও হিসাব জব্দ করা হয়েছিল। এসব হিসাবের মধ্যে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হিসাবও রয়েছে। জব্দ হওয়া হিসাবের প্রায় অর্ধেক শেয়ার কারসাজির অভিযোগে বিএসইসি জব্দ করেছিল। এসব হিসাবের কয়েকটির বিরুদ্ধে কারসাজির ঘটনায় বড় অঙ্কের জরিমানাও করা হয়। বাকি হিসাবগুলো আদালত ও বিএফআইইউর নির্দেশে জব্দ করা হয়েছিল।

এদিকে পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরু গত ২৭ অক্টোবর নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিও ও ব্যাংক হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।

বিএসইসির কাছে দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, হিরু, তার পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব বিএফআইইউর নির্দেশে জব্দ রয়েছে। এ তালিকায় কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাতবর, কনিকা আফরোজ, আলেয়া বেগম, মোহাম্মদ বাশের, সাজেদ মাতবর, কাজী ফরিদ হাসান ও কাজী ফুয়াদ হাসানের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া মনোয়ার্ক হোল্ডিংস, মনোয়ার্ক মার্ট, ইশাল কমিউনিকেশন, মনোয়ার্ক এক্সপ্রেস, মনোয়ার্ক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, মনোয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, মনোয়ার্ক লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ, মনোয়ার্ক ফুড, মনোয়ার্ক ইলেকট্রনিকস, মনোয়ার্ক স্পেস এক্সপ্লোরেশন, লাভা ইলেকট্রোডস ইন্ডাস্ট্রিজ ও দেশ আইডিয়াল ট্রাস্ট কো-অপারেটিভের ব্যাংক হিসাবও জব্দ রয়েছে।

আবেদনে হিরু উল্লেখ করেন, ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক দায় পরিশোধ, নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে সমস্যায় পড়ছে। আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করে তিনি এসব হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com