1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
৬ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঘাটতি - Business Protidin
শিরোনাম :
“জীবন বিমা: আস্থার সংকট থেকে টেকসই সংস্কারের সন্ধানে” দুর্বল শেয়ারে লাগাম টানতে ডিএসইর ব্যবস্থা, স্থগিত দুই কোম্পানির লেনদেন বীমা খাতে অনিয়মে তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আইপিও ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালায় বড় সংস্কার আসছে: বিএসইসি চেয়ারম্যান সরকারি টাকায় গাড়ি কেনা ও বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতাদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী “বাংলাদেশের জীবন বিমা শিল্প: চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও ‘তিন স্তম্ভ’ উদ্যোগের নতুন দিগন্ত” শীর্ষ ১০ শিল্প গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করবে সরকার ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজের কার্যক্রম স্থগিত আড়াই বছর বন্ধ পর উৎপাদন ফিরছে এমারেল্ড অয়েল

৬ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঘাটতি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে বর্তমানে ইসলামী ধারার দশটি ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। এসব ব্যাংকে জমা আমানতের বিপরীতে বেশি ঋণ বিতরণ বা বিনিয়োগ করেছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে থাকা এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঘাটতি আরও বড় আকার ধারণ করেছে।

ব্যাংকগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।

ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ বিবেচনায় এসব ব্যাংককে জামানত ছাড়াই টাকা ধার দিচ্ছে এবং লেনদেন হিসাব চালু রেখেছে। এ কারণেই মূলত নতুন ঋণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ব্যাংকগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামী ধারার ১০ ব্যাংকে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে আমানত ছিল ৪ লাখ ৩ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা, যা গত মার্চে কমে হয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে তাদের আমানত কমেছে ৪ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। অন্যদিকে তখন এসব ব্যাংকের ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১০ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বরে তাদের দেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ১৪ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা, যা মার্চে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা।

এদিকে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর ঋণ ও আমানতের অনুপাত (এডিআর) ৯২ শতাংশ হলেও গত মার্চে তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ শতাংশ, যা গত ডিসেম্বরে ছিল ৯৬ শতাংশ। এতে এসব ব্যাংকের অতিরিক্ত তারল্য ৫ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা থেকে কমে হয়েছে ৬০৫ কোটি টাকা। তারল্য কমেছে ৫ হাজার ৪৩ কোটি টাকা।

আর্থিক অবস্থা ভালো দেখাতে ২০২৩ সালের শেষ কার্যদিবসে তারল্যসংকটে পড়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ইসলামীসহ মোট সাতটি ব্যাংককে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ধার দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে গত বছরের ডিসেম্বরে সংকট থেকে উদ্বৃত্ত তারল্য দেখায় ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। এর প্রভাবে পুরো ইসলামী ব্যাংকিংয়ে উদ্বৃত্ত তারল্যের উন্নতি হয়। অবশ্য এর আগের প্রান্তিকে উদ্বৃত্ত তারল্য নিম্নমুখী ছিল। ওই পাঁচ ইসলামী ব্যাংককে ২০২২ সালেও একই পন্থায় বড় অঙ্কের অর্থ ধার দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জানা গেছে, সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো অনেক দিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ তারল্য (এসএলআর) সংরক্ষণ করতে পারছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সংরক্ষিত চলতি হিসাবেও বিপুল ঘাটতি নিয়ে চলছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মে পর্যন্ত ওই পাঁচ ব্যাংকে চলতি হিসাবে ঘাটতি ছিল ১৬ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৮ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা, ইসলামী ব্যাংকের ২ হাজার ১২৭ কোটি টাকা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৩ হাজার ৮৯ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ব্যাংকের ২ হাজার ৬১ কোটি টাকা ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ২২৭ কোটি টাকা ঘাটতি ছিল।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com