1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
লাইফ বীমা খাতে কমেছে লাইফ ফান্ড ও প্রিমিয়াম আয় - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

লাইফ বীমা খাতে কমেছে লাইফ ফান্ড ও প্রিমিয়াম আয়

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বীমা খাতের সংকট দীর্ঘদিনের। সবচেয়ে বেশি সমস্যা বীমা দাবি পরিশোধের। যার ফলে ২০২৪ সালে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর মোট প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ১২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭ কোটি টাকা কম। ২০২৩ সালে প্রিমিয়াম আয় ছিল ১২ হাজার ২৭৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর লাইফ ফান্ডে জমা পড়েছে মাত্র ৪১৫ কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। ২০২৩ সালে এই ফান্ডে জমা হয়েছিল ৯০৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে লাইফ ফান্ডে জমা পড়ার হার ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশে।

আইডিআরএ’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে জীবন বীমা খাতের প্রিমিয়াম আয় ছিল ১১ হাজার ৩৯৩ কোটি ৯ লাখ টাকা। এর আগের দুই বছরেও আয় বেড়েছিল ধারাবাহিকভাবে ২০২১ সালে ১০ হাজার ২৩২ কোটি ৫১ লাখ এবং ২০২০ সালে ৯ হাজার ৪৭৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। কিন্তু ২০২৪ সালে আয় প্রায় স্থবির। একই সঙ্গে লাইফ ফান্ডে জমা দুর্বল হওয়ায় গ্রাহক ঝুঁকির মুখে পড়ছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা।

গতবছর ২০২৪ সালের শেষে ৩৫টি জীবন বীমা কোম্পানির সম্মিলিত লাইফ ফান্ড দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ১ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি। ২০২৩ সালে এই বৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বিদায়ী বছরে প্রিমিয়াম আয়ের দিক থেকে শীর্ষে ছিল বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালে আয় করেছে ৩ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা, যার মধ্যে নিট আয় ৩ হাজার ৩০৪ কোটি। কোম্পানিটির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স। কোম্পানিটির মোট আয় ২ হাজার ১০১ কোটি এবং নিট আয় ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকা। সম্পদের পরিমাণ ৬ হাজার ৭৯৭ কোটি।

তৃতীয় স্থানে ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্স, যাদের প্রিমিয়াম আয় ৯৩১ কোটি এবং নিট আয় ৯১০ কোটি টাকা। সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৫৩ কোটি।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা করপোরেশন। প্রিমিয়াম আয় ৮৬০ কোটি, নিট আয় ৮৪৯ কোটি এবং মোট সম্পদ ৩ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স, যাদের মোট আয় ৭৯৯ কোটি এবং নিট আয় ৭৯৪ কোটি টাকা। কোম্পানিটির সম্পদ ৯৯৭ কোটি টাকা।

বীমা খাতে আয় সামান্য বাড়লেও সময়মতো দাবি পরিশোধ না করায় গ্রাহকদের আস্থাহীনতা বাড়ছে। ফলে আয় কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়ছে না। আইডিআরএ চেয়ারম্যান এম আসলাম আলম বলেন, ‘বীমা দাবি সময়মতো পরিশোধ না করাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। যেসব কোম্পানি দাবি পরিশোধে অনীহা দেখিয়েছে, তাদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন হবে।

বীমা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাইফ ফান্ডই হলো জীবন বীমা কোম্পানির মেরুদণ্ড। এই ফান্ড দুর্বল হলে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গ্রাহকের দাবি পূরণে প্রতিষ্ঠানগুলো দিশেহারা হয়ে পড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com