1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই: গভর্নর - Business Protidin
শিরোনাম :
তিন মাসে ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান ইসলামী ব্যাংকের লক্ষীপুরে প্রোটেক্টিভ লাইফের বীমা দাবী পরিশোধ ও উন্নয়ন সভা ২০ কোটি টাকার বেশি সব ঋণ যাচাই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল লাইফের ৩৭% লভ্যাংশ ঘোষণা জুলাই থেকে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইনের ধারায় সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ, ভয়ে আছেন ব্যাংক মালিকরা এনসিবি কারসাজির অভিযোগ ১৮ বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক বদলি নিয়ে গুঞ্জন, উঠছে আইনি প্রশ্নও পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই: গভর্নর

পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই: গভর্নর

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়াহ্ ভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত আর পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

সোমবার( ১১ মে) ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

বিএবি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকারের নেতৃত্বে বৈঠকে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক এ. কে. আজাদ, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান, বিএবির ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ বা মার্জার নিয়ে কোনো কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আব্দুল হাই সরকার বলেন, “হ্যাঁ, আমরা মার্জার নিয়ে কথা বলেছি। ৫টি ব্যাংক একীভূত করার যে সিদ্ধান্ত অলরেডি হয়ে গেছে, সেটা নিয়ে তিনি (গভর্নর) বলেছেন যে এটা এখন আর পরিবর্তনের সুযোগ নেই।”

তবে ভবিষ্যতে অন্য কোনো ব্যাংকের ক্ষেত্রে মার্জার করার আগে যেন সেটা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে করা হয় এবং স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলা হয়, সেই পরামর্শ আমরা দিয়েছি। এ বিষয়ে তিনি (গভর্নর) আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন এবং জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাহলে সব পক্ষের মতামত নিয়ে করা হবে।

তিনি আরও জানান, বন্ধ কারখানা সচল করতে নতুন তহবিল গঠন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো চলতি মূলধন সহায়তা দেবে। তবে কেন কারখানা বন্ধ হয়েছে? তা বিবেচনায় নেবে।

বৈঠকে ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কাঠামোগত সংস্কার নিয়েও আলোচনা হয়।

আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর পাঁচটি ব্যাংক (এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। এর মধ্যে এক্সিম ব্যাংক পরিচালিত হতো নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদারের নেতৃত্বে। আর বাকি চারটি ব্যাংক ছিল এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে।

ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই এ নিয়ে নানা ধরনের বিতর্ক ও সমালোচনা দেখা দেয়। তবে, সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার এসব বিতর্কে গুরুত্ব না দিয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং শেষ পর্যন্ত ব্যাংকটিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নিয়ে আসে। গত বছরের নভেম্বরে প্রশাসকরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই নতুন ব্যাংকের দায়িত্ব নেন।

নতুন ব্যাংকটি মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। আমানতকারীদের মধ্যে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল দেওয়া হবে। এছাড়া, প্রায় ৭৮ লাখ আমানতকারীর আমানত বিমা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা করে মোট ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com