1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি - Business Protidin
শিরোনাম :
পুলিশের পিটুনি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না: অর্থমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংকটে মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেট উচ্চাভিলাষী: সিপিডি দাম বাড়তে ও কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার প্রশ্ন ছাড়াই থাকছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাজেটে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন অর্থনীতি গঠনে সরকারের ১০টি অগ্রাধিকার ব্যাংক ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে সরকারের ঘাটতি পুরণের লক্ষ্য নির্ধারণ  ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট মন্ত্রিসভায় অনুমোদন শেয়ারবাজারে আইপিও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে নির্বাচনের আগে-পরের সময়ে কমেছে ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস ঋণ ইসলামী ব্যাংকের সংকট দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন: এবিবি চেয়ারম্যান

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সদ্য বিদায়ী খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন মিউচ্যুয়াল ফান্ড নিয়ে নতুন বিধিমালা জারির মাধ্যমে এই খাতকে ধংসের পাঁয়তারা করেছে। তারা এই খাতের ৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে আগামী ১ বছরের মধ্যে শেয়ারবাজার ধংস হয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় অবশ্যই মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা নামের কালো আইন বাতিল করতে হবে এবং মাকসুদ কমিশনকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এসোসিয়েশন’ এর নেতারা এসব কথা বলেন। এতে সংগঠনটির সভাপতি এস.এম ইকবাল হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিনিয়েগাকারী নেতারা বলেন, মাকসুদ কমিশন মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মার্জিন রুলস ও আইপিও নিয়ে কালো আইন প্রণয়নের মাধ্যমে শেয়ারবাজারকে ধংসের পথে নিয়ে গেছে। যদিও বর্তমান সরকার তাকে গত বৃহস্পতিবার অপসারণ করেছে। এখন তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের এই চেষ্টাকে আটকে দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করেছেন বিনিয়োগকারী নেতারা।

তারা বলেন, নতুন বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে অবসায়ন (লিকুইডেশন) প্রক্রিয়ার মধ্যে আনা হতে পারে। এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শেয়ারবাজারে ব্যাপক ধস নামবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া এই খাতে জড়িত হাজার হাজার কর্মী বেকার হয়ে পড়বে।

নতুন বিধিমালায় অনেকটা জোর করেই অবসায়নের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান বক্তারা। অথচ এই খাতের ৩ লাখ বিনিয়োগকারী কখনো সেটা চায়নি। এই আইনে বলা হয়েছে, দুই তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারদের ভোটে মেয়াদী ফান্ড গুলোর রূপান্তর বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। যারা ফান্ডগুলো টিকিয়ে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন, তাদের জন্য এখানে তৃতীয় কোন বিকল্প রাখা হয়নি। এতে করে যেসব বিনিয়োগকারী দীর্ঘ মেয়াদে ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন, তাদের মতামত অগ্রাহ্য করে বিপুল ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়া হয়েছে।

তাদের মতে, এই বিপুল মিউচুয়াল ফান্ড পোর্টফোলিও যদি হঠাৎ অবসায়ন বা বাধ্যতামূলক পুনর্গঠনের আওতায় আনা হয়, তাহলে দুর্বল ক্রয় চাহিদার বাজারে ব্যাপক সরবরাহ সৃষ্টি হবে, যা শেয়ারদরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। এতে ডিএইএক্স ১৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে যেতে পারে এবং আরও লক্ষাধিক বিনিয়োগকারী বাজার থেকে বের হয়ে যাবে।

মাকসুদ কমিশন তাদের ২১ মাসের দায়িত্বে শেয়ারবাজারে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা জরিমানা করে আতঙ্ক তৈরী করেছিলেন বলে জানান বিনিয়োগকারীরা। অথচ তিনি আদায় করতে পেরেছেন মাত্র ৫ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে সরকার ও নতুন কমিশনের কাছে শেয়ারবাজারে অতিতের সব অনিয়ম ও ব্যর্থতার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ; ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ; সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা; বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; শেয়ারবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ; নিয়ন্ত্রক সংস্থার দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি; বিতর্কিত নীতিমালা স্থগিত করা; একীভূত করা ৫ ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা; কারসাজির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স; কোম্পানির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ; দূর্বল ও লোকসানি কোম্পানির পুনর্গঠন ও শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com