1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
১০ ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেকই ঝুঁকিতে - Business Protidin
শিরোনাম :
বন্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করেছে ডিএসই ১০ ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেকই ঝুঁকিতে প্রোটেক্টিভ লাইফের দুই গ্রাহকের পরিবারকে ৭ লাখ টাকার মৃত্যুদাবি পরিশোধ রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশী দশজনসহ জড়িত ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান বীমা খাতে লাইফ ফান্ড ঋণাত্মক সাত কোম্পানির, শীর্ষে ফারইস্ট ব্যাংকিং খাতের কিছু আইন ব্যবসা-বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে: বিএবি চেয়ারম্যান ধারে ইসলামী ব্যাংকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স পাওয়ার শর্তে অনিয়মের অভিযোগ শান্তা লাইফের বিরুদ্ধে ৫৪ বছরে দেশে কোটি টাকার হিসাব বেড়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার ৪৮০ ন্যাশনাল লাইফে গ্রামীণফোন কর্মকর্তার ১০ লাখ টাকার বীমা পলিসি গ্রহণ

১০ ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেকই ঝুঁকিতে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ১০টি ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে এসব ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশে, যা এক বছর আগে ছিল ৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ ‘ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের হার প্রায় ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। এতে ব্যাংকিং খাতের সম্পদের গুণগত মান নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী কিছু শিল্পগোষ্ঠী ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণ সময়মতো আদায় না হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এসব ঋণের বড় অংশ পরবর্তীতে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

ব্যাংকারদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে একক গ্রাহক ঋণসীমাসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক বিধান উপেক্ষা করে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের আড়াল করতে বিভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠান গঠন এবং কাগুজে কোম্পানির মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের ঘটনাও ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বিষয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তাদের অনেক ক্ষেত্রেই ধারণা ছিল বলেও দাবি করেন তারা।

তাদের মতে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঋণখেলাপির তালিকা হালনাগাদ এবং বিশেষ সুবিধা প্রত্যাহারের ফলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসতে শুরু করেছে। এর ফলে নতুন নতুন গ্রুপ ও প্রতিষ্ঠানের নামও খেলাপি ঋণের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

ব্যাংক খাতের অন্যতম আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে একসময় ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ছিল। এসব ব্যাংক থেকে বিভিন্ন উপায়ে এক লাখ কোটি টাকার বেশি অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

এ ছাড়া সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক থেকেও নেওয়া ঋণের বড় অংশ পরিশোধ না করায়

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com