1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
অস্বাভাবিক বাড়ছে তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ার দর, ব্যাখ্যা দেয়নি ডিএসইকে - Business Protidin
শিরোনাম :
পদোন্নতি পেলেন বিএসইসির ১৯ কর্মকর্তা পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ব্যবসায় মন্দা, কমছে লাইফ ফান্ড—সংকটে মেঘনা লাইফ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে প্রথম দিনে ৬ হাজার গ্রাহক পেলেন ২৫০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণের জামানত মূল্যায়ন করতে পারবে ১৩১ প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল লাইফে পুরস্কার বিতরণ ও মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি আইনে শেয়ার বাইব্যাকের সুযোগ চায় বিএসইসি গ্রাহক টাকা তুলতে এসে খালি হাতে ফিরবেন না: আবেদুর রহমান ৮ ব্যাংকের কৃষি ঋণে খেলাপি ভয়াবহ, কোন ব্যাংকে ৯৫ শতাংশই খেলাপি

অস্বাভাবিক বাড়ছে তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ার দর, ব্যাখ্যা দেয়নি ডিএসইকে

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘদিনের লোকসান ও ঋণাত্মক নিট সম্পদ মূল্য এবং কারখানা বন্ধে আর্থিকভাবে নাজুক অবস্থায় রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড। এর মধ্যেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে অস্বাভাবিক উত্থান দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে কোম্পানিটি কোনো জবাব দেয়নি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২ আগস্ট তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ারদর ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা। ২৩ আগস্ট লেনদেন শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ১০ পয়সায়। অর্থাৎ মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে শেয়ারটির দাম বেড়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা বা প্রায় ৮২ শতাংশ।

ডিএসই জানায়, অস্বাভাবিক এই দরবৃদ্ধির পেছনে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কি না, তা জানতে চেয়েছিল ডিএসই। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

এর আগে তুং হাই নিটিংয়ের কারখানা পরিদর্শন করে ডিএসইর একটি বিশেষ পরিদর্শক দল। সরেজমিনে গিয়ে তারা কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ দেখতে পায়।

পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। এসব যন্ত্রপাতিতে মরিচা ও ময়লার স্তর জমে থাকার কথাও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ঋণাত্মক। একই সঙ্গে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ঋণাত্মক ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির মোট সম্পদের তুলনায় দায়ের পরিমাণ বেশি।

এ ছাড়া কোম্পানিটির পুঞ্জীভূত লোকসান প্রায় ৭৬ কোটি টাকা। কয়েক বছর ধরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশও দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com