1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছালে শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব - Business Protidin
শিরোনাম :
তিন মাসে ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান ইসলামী ব্যাংকের লক্ষীপুরে প্রোটেক্টিভ লাইফের বীমা দাবী পরিশোধ ও উন্নয়ন সভা ২০ কোটি টাকার বেশি সব ঋণ যাচাই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল লাইফের ৩৭% লভ্যাংশ ঘোষণা জুলাই থেকে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইনের ধারায় সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ, ভয়ে আছেন ব্যাংক মালিকরা এনসিবি কারসাজির অভিযোগ ১৮ বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক বদলি নিয়ে গুঞ্জন, উঠছে আইনি প্রশ্নও পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই: গভর্নর

এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছালে শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর আবেদনে জোরালো সমর্থন জানিয়েছে তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেছেন, জাতিসংঘ যদি বাংলাদেশের এই আবেদনকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে তাহলে বর্ধিত সময়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ‘রোডম্যাপ’ প্রণয়ন করা যাবে।

এতে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ করার মাধ্যমে শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো ও দেশের সার্বিক অর্থনীতির একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব।

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএন-সিডিপি) সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ভার্চুয়াল পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রমুখ এতে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের এনহ্যান্সড মনিটরিং মেকানিজমের অন্তর্গত ‘ক্রাইসিস রেসপন্স’ বা সংকটকালীন বিশেষ বিধানের আওতায় এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা ২০২৬ সাল থেকে পিছিয়ে ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়াতে জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে সভাটির আয়োজন করা হয়।

সভায় সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যমান অর্থনৈতিক ঝুঁকি, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরা হয়। সেই সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা জানানো হয়।

আলোচনায় বিজিএমইএ সভাপতি পোশাক খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএসপি প্লাস কাঠামোর আওতায় অনুচ্ছেদ ২৯-এর সেফগার্ড থ্রেশোল্ডের কারণে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে বাংলাদেশের। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটি) না থাকার বিষয়টি রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত বড় ঝুঁকি। এ ছাড়া রুলস অব অরিজিন সংক্রান্ত দ্বৈত রূপান্তর বিধি পালনে সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পক্ষ থেকে সময় প্রয়োজন। শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নীতির ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের অপরিহার্যতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com