1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
আইসিবি-ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে রেইসের ৯৭ শতাংশ সম্পদ - Business Protidin
শিরোনাম :
ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জার থেকে কেনা যাবে ৩ হাজার ডলার নবাবগঞ্জে পপুলার লাইফের ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা খেলাপি ঋণ আদায়ে সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জমি জব্দ ইউসিবির বেক্সিমকো ও শাইনপুকুরের নতুন বোর্ড অনুমোদন বছরের প্রথমার্ধে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয়ে ধস গ্রাহকের ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কার্ড সেবা চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে আসতে পারবে বড় কোম্পানি নন-লাইফে কমপক্ষে ৭০% দাবি পরিশোধের নির্দেশ, বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

আইসিবি-ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে রেইসের ৯৭ শতাংশ সম্পদ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বাংলাদেশ রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডের ৯৭ শতাংশ সম্পদ আইসিবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে। এক্ষেত্রে ফান্ডগুলোর তালিকাভুক্ত এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির সব শেয়ার সুরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করেছে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিটি।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) জারি করা গত ২৪ জুনের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিএসইসিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ডের সমস্ত কার্যক্রম স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তার সঙ্গে পরিচালনার জন্য কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (প্যারেন্ট) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ ট্রেডিং (লিংক) অ্যাকাউন্ট, ব্রোকারেজ সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট এবং ব্রোকারেজ ফ্র্যাকশনাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে দৈনিক লেনদেন, ব্যবস্থাপনা ও সিডিবিএলের শেয়ার সেটেলমেন্ট হয়।

রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত ফান্ডের সকল সম্পদ আইসিবি ও ব্র্যাক ব্যাংকের হেফাজতে আছে এবং এ সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সরাসরি তত্ত্বাবধান করে থাকে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড এবং কাস্টোডিয়ান চুক্তি অনুযায়ী বর্তমানে ফান্ডগুলোর সকল তালিকাভুক্ত শেয়ার কাস্টোডিয়ান ডিপি অ্যাকাউন্টে রাখা আছে। রেইস তার পরিচালিত ফান্ডগুলোর সম্পদের নিরাপত্তার প্রমাণ হিসেবে গত ৩১ মে তারিখ পর্যন্ত ডিপিএ-৬ রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

রেইসের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্যের ভিত্তিতে রেইস ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে বাজারে গুজব ছড়াচ্ছে। এসব মিথ্যা প্রচারণা গত ১৫ বছরের অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ন করছে এবং মিউচুয়াল ফান্ড ইন্ডাস্ট্রির আস্থা নষ্ট করছে। তবে, কমিশনের কাছে রেইস পরিচালিত ফান্ডের সকল প্রমাণ ও তথ্যাদি প্রেরণ করেছে, যা রেইস পরিচালিত সকল সম্পদের শতভাগ নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য, রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত সব ফান্ডে গত ৫ বছরে (২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল) বিনিয়োগকারীদের ৬৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com