1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
আইএমএফ থেকে ২৪তম বার ঋণ নেওয়ার পথে পাকিস্তান - Business Protidin
শিরোনাম :
বিশ্বজিৎ মন্ডলের ক্ষমা প্রার্থনা: চার শর্তে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অপরিবর্তিত রেখে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ যুদ্ধের খবরে বিধ্বস্ত দেশের শেয়ারবাজার, সূচকে বড় পতন বাজার মধ্যস্থতাকারীরা ধুঁকলেও ফুলে-ফেঁপে উঠছে বিএসইসির আয় পটপরিবর্তনের পর বন্ধ কারখানা চালু করতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে রিজার্ভ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সমস্যার জন্য পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান শ্রম আইনের অনিয়ম থেকে বেরোতে পারেনি ক্রাফটসম্যান একীভূত ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার অপপ্রচার-ষড়যন্ত্রের অংশ: গভর্নর

আইএমএফ থেকে ২৪তম বার ঋণ নেওয়ার পথে পাকিস্তান

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪

বিজনেস প্রতিদিন ডেস্ক

পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৩ বার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইমএফ) আর্থিক সহায়তা নিয়েছে পাকিস্তান। এবার ২৪তম ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে শিগগিরই ঐকমত্য হওয়ার কথা।

দেশটির অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেছেন, পাকিস্তানের যে পরিস্থিতি তাতে কর আদায় বাড়ানো না গেলে এটাই শেষ নয়, ভবিষ্যতে আরও ঋণ নিতে হবে। নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর এই সতর্কবাণী দেন তিনি।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই আইএমএফের সঙ্গে কর্মকর্তা পর্যায়ে ঐকমত্য হওয়ার বিষয়ে তাঁর মধ্যে ‘যৌক্তিক আত্মবিশ্বাস’ আছে। ঋণের অঙ্ক কত, তা এখনো চূড়ান্ত না হলেও পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় ৬০০ থেকে ৮০০ কোটি ডলারের ঋণ চেয়েছে। কিন্তু এটাই শেষ নয়, কর আদায় না বাড়লে পাকিস্তানকে ভবিষ্যতে আবারও বেইলআউট নিতে হবে।

পাকিস্তানের অবস্থা অনেক দিন ধরেই ভালো না। দেশটিতে মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কের ঘরে, সেই সঙ্গে প্রবৃদ্ধির গতি খুব কম আর বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভও কমতির দিকে। এ পরিস্থিতিতে গত মার্চে মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী হয়েছেন। গত বছরও পাকিস্তান আইএমএফের ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া থেকে বেঁচেছে; সেবার ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ পেয়েছিল দেশটি। সেই ঋণ কর্মসূচি এপ্রিলে শেষ হয়েছে।

আইমএফের চাওয়া মেনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বিভিন্ন খাতে করহার বাড়িয়েছেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী। কর বৃদ্ধির সঙ্গে জ্বালানি ভর্তুকি কমানোর মতো অজনপ্রিয় সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছে তাঁকে।

চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়। তাদের লক্ষ্য, আগামী বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ৪ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার রাজস্ব সংগ্রহ করা। রাজস্ব আদায় আরও বাড়ানো ছাড়া দেশটির বিশেষ কোনো উপায়ও নেই। বর্তমানে দেশটির রাজস্ব আয়ের ৫৭ শতাংশ সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়। ২০১৭-২১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের গড় সুদ ব্যয় ছিল রাজস্বের ৩৬ শতাংশ।

সমস্যা হচ্ছে, কর বৃদ্ধির কোপটা পড়বে বেতনভুক্ত কর্মচারীদের ওপর। কিন্তু পাকিস্তানের অর্থনীতি এখনো মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক, তার সঙ্গে আছে কিছু খুচরা ও রপ্তানি ব্যবসা। এ পদ্ধতিতে কর আদায় খুব বেশি বাড়ানোর বাস্তবতা নেই। যাঁরা আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বাজেটে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল ফোন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপের কথা বলা হয়েছে বাজেটে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com