সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশের একটি অনলাইন পোর্টালে আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড সম্পর্কে এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে বীমা কোম্পানিটি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয়গুলোর জবাবে কোম্পানি জানায়, প্রিমিয়াম আয়ের পুরো টাকা জমা হয় না ব্যাংকে। যেহেতু ২০১৮-২০২০ সালে অ্যাডভান্স অ্যাডজাস্টমেন্টের সুযোগ ছিল, তাই ঐসময় প্রিমিয়াম আয়ের পুরো টাকা ব্যাংকে জমা হওয়ার সুযোগ ছিল না। পুরো টাকা হতে কমিশন ব্যতিত বাকী টাকা ব্যাংকে জমা হত।
কোম্পানি আরও জানায়, ২০১৮-২০২০ পর্যন্ত কোম্পানী ভিন্ন ম্যানেজমেন্ট এর অধীনে ছিল বিধায়, ২০১৮-২০২০ সালে অ্যাডভান্স অ্যাডজাস্টমেন্টের সমস্যা ছিল। তবে বর্তমান ম্যানেজমেন্ট কোম্পানীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন কোন অ্যাডভান্স অ্যাডজাস্টমেন্ট করার সুযোগ নেই। প্রিমিয়ামের শতভাগ টাকাই ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে হয়; তারপর কমিশন প্রদান করা হয়। আপনারা আরো অবগত আছেন যে, অ্যাডভান্স অ্যাডজাস্টমেন্টের বিষয়টি আইডিআরএ’র বিশেষ নিরীক্ষায় উঠে এসেছিল। সেটার বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষে জবাব দেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নতুন করে কোম্পানিতে আর কোন অ্যাডভান্স অ্যাডজাস্টমেন্ট এর সুযোগ নেই ।
দায়ের সমপরিমাণ সম্পদ বিনিয়োগ না থাকার বিষয়ে আমাদের বক্তব্য হলো: আগে কোম্পানির ব্যবসা কম ছিল, এ কারণে দায়ের চেয়ে বিনিয়োগের পরিমাণ কম হয়েছিল। বর্তমানে আমরা সেই সমস্যার সমাধান করেছি। আপনারা জানেন, বর্তমানে মোট সম্পদের ৩০% বন্ডে বিনিয়োগের বিধান রয়েছে। আমরা ৩০ শতাংশের বেশি সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করেছি এবং জুন-২০২৪ পর্যন্ত কোম্পানীর লাইফ ফান্ড ১৭৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তন্মধ্যে ১২৫ কোটি টাকা এফডিআর ও ট্রেজারি বন্ড এবং বাকি টাকা কোম্পানীর সম্পদ রয়েছে।
প্রতিবাদে বলা হয়েছে, ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল এই ৪ বছরে আমরা ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের ক্ষেত্রে আইডিআরএ’র অনুমোদিত সীমার মধ্যেই আছি এবং আমরা অনেক কম খরচ করেছি। এর মধ্যে ২০২৩ সালেই আমরা প্রায় ১৬ কোটি টাকা কম খরচ করতে সক্ষম হয়েছি।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালের ইন্টারনাল অডিট, এক্সটারনাল অডিট, আইডিআরএ নিয়োগকৃত বিশেষ অডিট, এবং কোম্পানীর বোর্ড (ম্যানেজমেন্ট) কর্তৃক নিযুক্ত অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট সম্পন্ন করা হয়েছে। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, উল্লেখিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আর্থিক কোনো গরমিল পাওয়া যায়নি। এমনকি ১০ টাকার আর্থিক কোনো অনিয়মও খুঁজে পায়নি।
কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অঙ্গীকার করেছেন ২০২৩ সালেও কোনো আর্থিক গরমিল পাওয়া যাবে না এবং কোম্পানীর একটি টাকাও অপব্যবহার করার কোনো সুযোগ আলফা ইসলামী লাইফে নেই। অল্প সময়ের মধ্যে কোম্পানীর বোর্ড (ম্যানেজমেন্ট) কর্তৃক নিযুক্ত অডিট ফার্ম দ্বারা ২০২৩ সালের অডিট সম্পন্ন করা হবে।
আলফা ইসলামী লাইফের বর্তমান চেয়ারম্যান আলমগীর শামসুল আলামিন এবং কোম্পানীর বোর্ড গ্রাহকের আমানত সুরক্ষায় জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। কোম্পানীর বোর্ডের সদস্যরা নিয়ম বহিঃর্ভূত সুবিধা তো দূরে থাক, নিয়মের মধ্যে থাকা কোনো সুযোগ-সুবিধাও গ্রহণ করছেন না এবং ভবিষ্যতেও উনারা কোনো সুযোগ-সুবিধা না নেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
সুতরাং, আপনারা কোনো সংবাদ বা ব্যাক্তির অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না, আলফা ইসলামী লাইফের সাথেই থাকুন, নিশ্চিন্তে থাকুন। গ্রাহকের আমানত সুরক্ষিত আছে এবং থাকবে।
Leave a Reply