1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
বড় অংকে প্রভিশন ঘাটতি ৩১১ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

বড় অংকে প্রভিশন ঘাটতি ৩১১ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: লম্বা সময় মন্দার প্রভাবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে বড় ধরনের লোকসান ভোগ করেছে বাজার-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। লোকসানের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ না করায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এর স্টেকহোল্ডারসহ মোট ৩১১টি প্রতিষ্ঠান ঘাটতিতে পড়েছে। ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা।

প্রভিশন সংরক্ষণে ২০১৬ সাল থেকে বিএসইসির নির্দেশনা থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবছর সময় বাড়াচ্ছে। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার কথা থাকলেও দু-একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ কোনো পরিকল্পনা জমা দেয়নি। পরে ১৩ নভেম্বর কমিশন ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে সময় বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, “ডিসেম্বর শেষ না হওয়ায় এখনই এসব প্রতিষ্ঠানকে ব্যর্থ বলা যাবে না।”

মন্দাবাজারে আটকে আছে বিনিয়োগ: বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি মাজেদা খাতুন জানান, বাজারের দীর্ঘমেয়াদি মন্দা, ফ্লোর প্রাইসে বিনিয়োগ আটকে থাকা, ইকুইটির ঋণাত্মক অবস্থান এবং সীমিত ব্যবসায়িক কার্যক্রমের কারণে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়নি। ফলে প্রভিশনিং করা সম্ভব হচ্ছে না।

কোথায় কত ঘাটতি: চলতি বছরের আগস্টের তথ্যানুযায়ী, ডিএসইর ২১১টি স্টেকহোল্ডারের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে আনরিয়েলাইজড লোকসান ১,৯০৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা; এর বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষিত হয়েছে ৯১৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

সিএসইর ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের আনরিয়েলাইজড লোকসান ২২ কোটি ১৩ লাখ টাকা; প্রভিশন সংরক্ষিত হয়েছে ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ৪৪টি মার্চেন্ট ব্যাংকার্সের মোট আনরিয়েলাইজড লোকসান ১,৮০৭ কোটি টাকা; প্রভিশন সংরক্ষিত হয়েছে ৬৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

মোট আনরিয়েলাইজড লোকসান ৩,৭৩৫ কোটি টাকার বিপরীতে ১,৫৮১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা প্রভিশন করা সম্ভব হয়েছে। ফলে ২,১৫৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রভিশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার পতনের পাশাপাশি শৃঙ্খলাহীন বিনিয়োগ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব এবং লোকসানি কোম্পানিতে বিনিয়োগের প্রবণতা লোকসান আরও বাড়িয়েছে। নিজস্ব পুঁজির পাশাপাশি ধার–কর্জ নিয়েও বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা পোর্টফোলিও আটকে এবং তারল্য সংকট তীব্র করেছে।

ব্যাংক-সাবসিডিয়ারির বড় ক্ষতি: বেশিরভাগ লোকসানি প্রতিষ্ঠানই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবসিডিয়ারি। উচ্চ মুনাফার আশায় কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হলেও ঝুঁকি বিবেচনায় না নেওয়ায় তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে।

২০০৯ সালে বাজার চাঙ্গা হলে ব্যাংকগুলো মার্চেন্ট ব্যাংক গঠন ও ব্রোকারেজ হাউস ক্রয় করে বিনিয়োগ বাড়ায়। কিন্তু ২০১০ সালের ধসের পর থেকে ধারাবাহিক পতনে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রভিশন ঘাটতি প্রতি বছরই বেড়েই চলেছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com