1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা ধার নিলো এবি ব্যাংক - Business Protidin
শিরোনাম :
বিশ্বজিৎ মন্ডলের ক্ষমা প্রার্থনা: চার শর্তে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার অপরিবর্তিত রেখে মার্চ মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ যুদ্ধের খবরে বিধ্বস্ত দেশের শেয়ারবাজার, সূচকে বড় পতন বাজার মধ্যস্থতাকারীরা ধুঁকলেও ফুলে-ফেঁপে উঠছে বিএসইসির আয় পটপরিবর্তনের পর বন্ধ কারখানা চালু করতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে রিজার্ভ বেড়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সমস্যার জন্য পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান শ্রম আইনের অনিয়ম থেকে বেরোতে পারেনি ক্রাফটসম্যান একীভূত ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার অপপ্রচার-ষড়যন্ত্রের অংশ: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা ধার নিলো এবি ব্যাংক

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট বড় সমস্যা। তারল্য সংকটে পড়া এবি ব্যাংককে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৯০ দিনের জন্য এই সুবিধার সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১.৫০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ নভেম্বর গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এ সহায়তা অনুমোদন করেন।

একই দিনে প্রতিশ্রুতিপত্র জমা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে পরিচালিত হিসাবের মাধ্যমে অর্থ ছাড় করা হয়।

এবি ব্যাংক এর আগে তিন দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৭৮০ কোটি টাকা ধার নিয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। নতুন ঋণসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যাংকটির মোট বকেয়া দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৭০ কোটি টাকা।

ব্যাংকটির নথি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র তারল্য সংকটে আমানত উত্তোলনের চাপ বাড়ে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গ্রাহক উত্তোলন করেছেন ৮৪২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে মাত্র ৬.৪২ কোটি টাকা। এর ফলে শাখাগুলোতে গ্রাহক লেনদেনে অস্থিরতা তৈরি হয়।

এদিকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ২ হাজার ৪ কোটি টাকা এ ব্যাংকে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ২০২ কোটি, পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির ৩৫ কোটি, কৃষি ব্যাংকের ৩৭৮ কোটি, বেসরকারি সংস্থা আশার ১ হাজার ৩০৭ কোটি, ওয়েস্ট জোন পাওয়ারের ৬ কোটি, ডিপিডিসির ১৩ কোটি এবং বিভিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ কোম্পানির বকেয়া রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে।

নথি থেকে জানা যায়, ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ধরে রাখতে গত ৩ নভেম্বর গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে ৬ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চায় এবি ব্যাংকের বোর্ড। পরে তাৎক্ষণিক জরুরি সহায়তা হিসেবে ২,৫০০ কোটি টাকা ধার নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেন পর্ষদ সদস্যরা।

গ্রাহকসেবায় সেরা হিসেবে পরিচিত এবি ব্যাংক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সংকটে রয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। যা বিতরণকৃত মোট ঋণের প্রায় ৮৪ শতাংশ। এর অর্ধেকের বেশি ঋণ কেন্দ্রীভূত মাত্র ২০ গ্রাহকের হাতে।

ব্যাপক লুটপাট ও আর্থিক দুরবস্থার কারণে ২০২৪ সালে এবি ব্যাংক রেকর্ড লোকসান দেয়। নিরীক্ষিত বিবরণ অনুযায়ী, সে বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২১ টাকা ২৮ পয়সা। মোট লোকসান দাঁড়ায় ১ হাজার ৯০৬ কোটি টাকা। আগের বছর ব্যাংকটির মুনাফা ছিল ৯০ কোটি টাকা।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com