1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
সাবেক চেয়ারম্যানসহ সোনালী লাইফের ৮ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

সাবেক চেয়ারম্যানসহ সোনালী লাইফের ৮ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসসহ প্রতিষ্ঠানটির ৮ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ।

বীমা কোম্পানিটির ১৮৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ধারা ৪(২) ও (৩) এর অধীনে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত।

মামলার এজাহার অনুসারে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের মেয়ে ফৌজিয়া কামরুন তানিয়া, তার ছেলে মোস্তফা কামরুস সোবহান, তার মেয়ে তাসনিয়া কামরুন অনিকা, তার স্ত্রী ফজলুতুন্নেসা, কোম্পানিটির পরিচালক শাফিয়া সোবহান চৌধুরী, পরিচালক নূর-ই-হাফজা, কোম্পানিটির সাবেক সিএফও এবং ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী মীর রাশেদ বিন আমান।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, উল্লেখিত ব্যক্তিরা বেআইনিভাবে আর্থিক সুবিধা লাভের অভিপ্রায়ে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দুদকের তদন্তে উঠে আসে, তারা প্রতারণা ও জালিয়াতি, মিথ্যা চুক্তিপত্র তৈরি এবং অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের সাথে জড়িত। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন মেয়াদে বীমা কোম্পানিটির তহবিল থেকে অবৈধভাবে ১৮৭ কোটি ৮৪ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৬ টাকা উত্তোলন করেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কোম্পানিটির এসব অর্থ তারা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর এবং বিভিন্ন স্তরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তর করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদক আলামত পর্যালোচনা করে এসব অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পায় এবং আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com