1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ব্রোকার হাউজ পুঁজিবাজারে কার্যক্রম চালাতে পারবে - Business Protidin

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ব্রোকার হাউজ পুঁজিবাজারে কার্যক্রম চালাতে পারবে

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: একীভূত হয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে নতুন কাঠামোতে যাওয়া পাঁচটি শরীয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ব্রোকারেজ হাউজগুলো পুঁজিবাজারে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ব্যাংকগুলো একীভূত হওয়ার পর তাদের সহযোগী ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বিএসইসি একাধিক কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে—শুধু একীভূত হওয়ার কারণেই কোনো সাবসিডিয়ারি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ নবায়ন স্থগিত বা বাতিল করা হবে না।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় কমিশনের আটজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর নামে ইস্যু করা স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার নিবন্ধন সনদ আইন ও বিধি অনুসারে নিয়মিতভাবে নবায়ন করা হবে।

একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো—ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

এই ব্যাংকগুলোর কয়েকটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বিএসইসির নিবন্ধন বিভাগ থেকে স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার হিসেবে নিবন্ধন নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সম্প্রতি এসআইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডের স্টক-ব্রোকার ও স্টক-ডিলার নিবন্ধন নবায়নের আবেদন কমিশনে জমা পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
এরপর কমিশনের গঠিত কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ পর্যালোচনা করে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধ্যাদেশটি একীভূত ব্যাংকগুলোর সাবসিডিয়ারি কোম্পানির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এখনো বিএসইসিকে কোনো নির্দেশনা দেয়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে বৈধ ও কার্যকর অবস্থায় রয়েছে।

কমিটির মতামতে বলা হয়, নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য হবে—প্রচলিত সিকিউরিটিজ আইন, বিধি-বিধান ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ। একীভূত হওয়ার বিষয়টি এককভাবে নিবন্ধন স্থগিতের কারণ হতে পারে না। বরং নিবন্ধন নবায়ন না হলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার লেনদেন, বিও হিসাব পরিচালনা, মার্জিন সুবিধাসহ নানা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী।

সব দিক বিবেচনায় কমিশনের কমিটি মত দিয়েছে, এসআইবিএল সিকিউরিটিজসহ একীভূত ব্যাংকগুলোর অন্যান্য সাবসিডিয়ারি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ স্বাভাবিক নিয়মেই নবায়ন করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে একীভূতকরণজনিত কোনো জটিলতা দেখা দিলে আইনগত মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এ বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউজগুলো বর্তমানে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি ব্যাংকের মতো ব্রোকারেজ হাউজগুলো একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখন সেগুলো একীভূত হবে। তবে সে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com