1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
৩০ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে বিএটির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান - Business Protidin
শিরোনাম :
ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তা, বাড়ল ঋণ পরিশোধের সময় তিন ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন, ২০২৮ থেকে নতুন ভাতা দুই মাসে পুঁজিবাজারে যেসব পরিবর্তন এসেছে জানালেন বিএসইসি চেয়ারম্যান দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ছাড়া পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সম্ভব নয়: ডিএসই চেয়ারম্যান কৃষি ঋণের সুদ কমিয়ে সর্বোচ্চ ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বনিন্ম স্কেল ২০ হাজার সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫৬ হাজার, বেতন বাড়ছে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের অতিরিক্ত ব্যয় ১০৪ কোটি টাকা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার: ইআরডি পদ্মা ইসলামী লাইফের জীবন বিমা তহবিলে ঘাটতি ৩২৭ কোটি টাকা জীবন বীমায় ৭ কর্মকর্তাকে শোকজ, সাময়িক বরখাস্ত ২

৩০ বিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগে বিএটির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ওঠা অর্থপাচার ও জালিয়াতির রহস্য উন্মোচনে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটির অনুসন্ধান টিম বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে।

সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অভিযোগ যাচাই-বাছাই করছে বলে শনিবার (২৩ মে) দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে জয়েন্ট-স্টক কোম্পানিসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। নথিপত্র যাচাই শেষে যদি এই জালিয়াতির সত্যতা মেলে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকে আসা অভিযোগে বলা হয়, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর করাচিতে ‘পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি’ (পিটিসি) পথচলা শুরু করে। পরে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় তাদের দুটি বড় কারখানা গড়ে তোলে। স্বাধীনতার পর আইনত এসব পরিত্যক্ত সম্পত্তির মালিক হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের। পিটিসি নিজেও করাচি থেকে এর বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ বুঝে নিয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পিটিসির ফাইন্যান্স ম্যানেজার এবং বাংলাদেশে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা জামালুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট জালিয়াতি ও রাজনৈতিক প্রভাবে রাষ্ট্রীয় এই সম্পদ বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) দখলে সহায়তা করে। এই জালিয়াতির কারণে গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ হারিয়েছে ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com