নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য সেবার ক্যাম্পেইনে রেজিষ্ট্রেশন করে আসছে মিলভিক বাংলাদেশ। তবে এই পন্থায় মানুষের সাথে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ তুলেন আয়েশা সিদ্দিকা ও খাদিজাতুল কোবরা ওলফাত নামে দুইজন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, মিলভিক বাংলাদেশ-এরা একটা ফাদ তৈরি করেছে। গতবছর রাস্তায় আমাকে জোরপূর্বক রেজিষ্ট্রেশন করানো হয়, ‘ভুংভাং চুংচাং’ বুঝিয়ে কথার মারপেচে ফেলে ওরা এই কাজটা করে।
তারা জানান, মিলভিক বাংলাদেশ চিকিৎসা দেয়ার নামে মানুষের সাথে বাটপারি করতেছে, গতবছর রেজিষ্ট্রেশন করেছিলাম এই বছর আমাদেরকে জিজ্ঞাসা না করেই অটোমেটিক বিকাশ থেকে টাকা কেটে নিলো,তাদের ফোন করার পর বলতেছে তারা আমাকে কল করেছিলো আমি ধরিনি তারা আমাকে মেসেজ করেছিলো আমি দেখিনি, আমার কথা হচ্ছে ওরা সিমে যেই মেসেজটা পাঠালো সেটা আমি নাই বা দেখতে পারি সাধারণত বিকাশ পেমেন্ট অথবা ব্যাংক লেনদেনের কারনেই সিমের মেসেজ চেক করা হয় এছাড়া হয়না। ফোন নম্বর অফ কই এটা তো তারা ভাবেনি নম্বরটা অফ আছে গ্রাহকের ইচ্ছা আছে নাকি নাই এটা না শিউর না হয়েই টাকা কেটে নিচ্ছে, ওদের সার্ভিস ও তেমন ভাল লাগেনি।
তারা আরও জানান, ওরা গ্রাহকদের কাছে থেকে কনফরমেশন ও নেয়না- যে গ্রাহক কি আবার ওদের সেবা চাইছে নাকি চাইছে না।
অভিযোগকারী জানায়, গত এক মাস আগে আমার বাবাকেও ১৪/১৫ জন (মিলভিক বাংলাদেশ) এই কোম্পানির লোকজন জোরপূর্বক ও কথার জালে ফেলে এবং তাকে দিয়েও রেজিষ্ট্রেশন করাতে সফল হয়! আব্বুকে জিজ্ঞেস করলাম আপনাকে কি ওরা বলেছিলো যে প্রতিবছর এভাবে পারমিশন না নিয়েই টাকা টা কেটে নেয়া হবে? আব্বু বললেন না আমাকেও বলা হয়নি। তাই যারা যারা এখানে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন সময় থাকতে এক্ষুনি সেবাটি বন্ধ করুন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মিলভিকের কান্ট্রি লিড (ফাইন্যান্স) রিয়াজ মোস্তফা বিজনেস প্রতিদিনকে বলেন, আমাদের কাছ থেকে যখন কোন গ্রাহক প্রোডাক্ট কিনেন আমরা তাদের সবকিছু অবগত করে থাকি। কিভাবে প্রোডাক্টের বিপরীতে টাকা নেওয়া হবে তার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়- এবং সে নিয়মেই টাকা নেওয়া হয়।
তারা বলেন, যদি কোন গ্রাহক আমাদের সেবায় কোন রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমরা সেটা সমাধানে কাজ করবো।
Leave a Reply