1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
৫ বছরে অভাবনীয় সাফল্য: বীমা খাতে আস্থার শীর্ষে ন্যাশনাল লাইফ - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

৫ বছরে অভাবনীয় সাফল্য: বীমা খাতে আস্থার শীর্ষে ন্যাশনাল লাইফ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি: দেশের বীমা খাতে আস্থার জায়গা ধরে রেখেছে দেশের শীর্ষতম জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানী গত পাঁচ বছরে প্রিমিয়াম আয়, লাইফ ফান্ড এবং দাবি পরিশোধ। এই তিনটি সূচকে ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শুধু আর্থিক দিক থেকে শক্তিশালী হয়নি, বরং গ্রাহক আস্থা ও বাজারে অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

বর্তমানে জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর দুর্বল জায়গা সময়মত বীমা দাবি পরিশোধ করতে না পারা। এই জায়গা স্বচ্চতা ও নির্ভরযোগ্যতা ধরে রেখেছে ন্যাশনাল লাইফ। কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, সময়মত বীমা দাবি পরিশোধ করলে একটি দাবি পরিশোধে দশটি পলিসি বিক্রির প্রচার হয়। আমরা এই জায়গায় শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি এবং সময়মত দাবি পরিশোধ করে গ্রাহকের আস্থায় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা কোম্পানিতে কর্পোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি বীমা দাবি পরিশোধে। যার ফলে গ্রাহক তার পাওনা পেতে সমস্যা হয় না আর কোম্পানিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ায় কোন কর্মকর্তা-কর্মচারি কারো ক্ষতি করা বা নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ন্যাশনাল লাইফ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ন্যাশনাল লাইফের প্রিমিয়াম আয় ছিল এক হাজার ৭৮ কোটি টাকা, যা পরবর্তী বছরে ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় এক হাজার ২০১ কোটি টাকা। ২০২১ সালে বৃদ্ধি পেয়ে প্রিমিয়াম আয় হয় এক হাজার ৪২৩ কোটি টাকা, ২০২২ সালে এক হাজার ৬১৬ কোটি টাকা, ২০২৩ সালে এক হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে রেকর্ড গড়ে প্রিমিয়াম আয় পৌঁছে ২ হাজার ১০৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ পাঁচ বছরে প্রিমিয়াম আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৯৫ শতাংশ বা দ্বিগুণ।

বীমা শিল্পে সবচেয়ে বড় ভিত্তি কোম্পানির লাইফ ফান্ডের উপর নির্ভর করে। সেই জায়গায় ন্যাশনাল লাইফের লাইফ ফান্ডের প্রবৃদ্ধি আরও নজরকাড়া। ২০১৯ সাল পর্যন্ত লাইফ ফান্ড ছিল ৩,৬৯৯ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪,০০৭ কোটি টাকা, ২০২১ সালে ৪,৩৮৬ কোটি টাকা, ২০২২ সালে ৪,৮০১ কোটি টাকা, ২০২৩ সালে ৫,৩০১ কোটি টাকা, এবং ২০২৪ সালে রেকর্ড ৫,৯৭৩ কোটি টাকায়। পাঁচ বছরে লাইফ ফান্ডে যোগ হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা, যা প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক পরিকল্পনা, বিনিয়োগ নীতি এবং গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধির প্রমাণ। বিশেষ করে ২০২২–২০২৪ সময়ে ফান্ডে উল্লিখিত প্রবৃদ্ধি দেশের বীমা খাতে ন্যাশনাল লাইফকে বিশেষ অবস্থানে স্থাপন করেছে।

গ্রাহক আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দাবি পরিশোধের ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাশনাল লাইফের দাবি পরিশোধের তথ্য তা প্রমাণ করে। ২০১৯ সালে দাবি পরিশোধ করা হয় ৭৩৫ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালে বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৭৯৯ কোটি টাকা, ২০২১ সালে ৮৮২ কোটি টাকা, ২০২২ সালে ১,০৫২ কোটি টাকা, ২০২৩ সালে ১,১০০ কোটি টাকা এবং ২০২৪ সালে রেকর্ড ১,২০৪ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতি বছর প্রিমিয়ামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি প্রতিষ্ঠানটির সুশৃঙ্খল ব্যবসায়িক নীতি ও গ্রাহককেন্দ্রিক পণ্যের প্রভাব প্রতিফলিত করছে। এ জন্য ভূমিকা রেখেছে দক্ষ নেতৃত্ব এবং দৃঢ় প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা। কোম্পানির সুশাসন ও সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও আধুনিক পণ্য নীতি, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ নীতিই প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সুস্থতা ও গ্রাহকসেবা সক্ষমতার প্রতিফলন।

২০২০–২০২৪ সালের মধ্যে বিশেষ করে প্রিমিয়াম আয় ও লাইফ ফান্ডের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের বীমা খাতে আরও দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে এসেছে। দাবির ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও রেকর্ড পরিশোধ গ্রাহকদের আস্থা আরও মজবুত করেছে।

ন্যাশনাল লাইফের ধারাবাহিক এই সাফল্যের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, ২০২০ সালে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দ্রুত দাবি পরিশোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছি। তাছাড়া মাঠপর্যায়ে কর্মীরাই সরাসরি গ্রাহকের হাতে মেয়াদোত্তীর্ণ দাবি ও মৃত্যু দাবির চেক পৌঁছে দেওয়ায় গ্রাহকের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, এসব কারণে ২০২৪ সালে কোম্পানি ১২০৫ কোটি টাকা দাবি পরিশোধের পাশাপাশি ২১০৬ কোটি টাকা প্রিমিয়াম আয় করেছে। গত ৫ বছরে মোট প্রিমিয়াম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১০৭৮ কোটি থেকে ২১০৬ কোটিতে পৌঁছেছে। বিশেষভাবে, ফার্স্ট ইয়ার প্রিমিয়ামও ২০০ কোটি থেকে ৫৮০ কোটিতে উন্নীত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কর্মীদের আয় ধারাবাহিক বৃদ্ধির কারণে তারা পেশায় টিকে আছে, নিজেরা সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির উন্নতিতে কাজ করছে। আর এ কারণে কোম্পানির সাফল্যও অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com